Home Blog Page 2

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক

0

স্টাফ রিপোর্টার:গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে থাকা শরিফ ওসমান হাদির সার্বিক পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’ বলে জানিয়েছে তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে শনিবার বিকেলে তার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সর্বশেষ অবস্থা জানানো হয়।
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউ অ্যান্ড এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. মো. জাফর ইকবালের পাঠানো বার্তায় বলা হয়, মি. হাদির চিকিৎসায় বিভিন্ন বিভাগের ১৩ জন চিকিৎসকের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
মেডিকেল বোর্ডের পক্ষে এই বার্তায় বলা হয়, শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওসমান হাদির অপারেশনের পরে এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে তাকে স্থানান্তর করা হয় অপারেশন পরবর্তী চিকিৎসার জন্য।
চিকিৎসকরা দেখতে পেয়েছেন, তার ব্রেন ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’। মি. হাদির ফুসফুসে ইনজুরি আছে এবং তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট চালিয়ে যেতে হবে।

তার কিডনির কার্যক্ষমতা ফেরত এসেছে। শরীরে রক্ত জমাট বাধা ও রক্তক্ষরণ হওয়ার মধ্যে যে অসামঞ্জস্যতা দেখা দিয়েছিলো সেটা অনেকটাই ঠিক হয়ে আসছে।
তবে তার ব্লাড প্রেশার ও হার্ট বিট উঠানামা করছে।
বর্তমানে তার সার্বিক পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’ বলেও মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে।

শান্তির বার্তা ছড়িয়ে ঢাকায় রাসুল সম্মেলন অনুষ্ঠিত

0

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশ-বিদেশের লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণে ঢাকার আরামবাগে বিশ্ব আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রখ্যাত সমাজ ও ধর্মীয় সংস্কারক, বীর মুক্তিযোদ্ধা হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ৭৬তম শুভ জন্মদিনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দিনব্যাপী এই মহাসম্মেলন সম্পন্ন হয়।
দেশব্যাপী মাজার, দরবার, খানকা–সহ সুফিবাদীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সব বিভেদ ভুলে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার ডাক দেন সম্মেলনের আহ্বায়ক ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.)। আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ দেওয়ানবাগী হুজুরের উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমানে মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।
সম্মেলনে দেশবরেণ্য আলেম, বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিরা একত্রিত হন। এ সময় বক্তাদের আলোচনায় উঠে আসে সুফিবাদের শান্তিময় দর্শন এবং দেওয়ানবাগী হুজুরের জীবনব্যাপী সংগ্রামের নানা দিক।
বক্তব্যে ইমাম কুদরত এ খোদা স্মরণ করেন দেশের স্বাধীনতার জন্য দেওয়ানবাগী হুজুরের অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করার কথা। পরবর্তীতে মানুষকে রিপুর দাসত্ব থেকে মুক্ত করে পবিত্র জীবনের পথে পরিচালিত করতে জীবনভর সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
কুদরত এ খোদা বলেন, “সারা পৃথিবী দেওয়ানবাগী হুজুর কেবলার বিরুদ্ধেও দাঁড়িয়েছে; কিন্তু তিনি কখনোই সুফিবাদের শান্তির বাণি প্রচার বন্ধ করেননি।”
সুফিরা এই অঞ্চলের মানুষকে চরিত্রবান হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন উল্লেখ করে কুদরত এ খোদা বলেন, যারা আল্লাহর অলীদের মাজার ভাংচুর করছেন, তারা ইসলামের সঠিক চরিত্র ধারণ করতে পারেননি।
তিনি বলেন, চরিত্রবান হতে হলে আল্লাহর অলীদের কাছে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। পরীক্ষায় পাস করতে যেমন শিক্ষকের কাছে যেতে হয়, তেমনি আল্লাহকে পেতে আল্লাহর অলীদের কাছে যেতে হয়।
“ধর্ম মানে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। মোহাম্মদী ইসলাম হলো চরিত্রবান হওয়ার শিক্ষা—সততা, সত্যবাদিতা, সৎ পথের প্রতি অঙ্গীকার এবং অন্যায়–জুলুম থেকে দূরে থাকার নির্দেশনা,” যোগ করেন ইমাম কুদরত এ খোদা।
আল্লাহর এই অলী বলেন, “দেওয়ানবাগী হুজুরের আত্মশুদ্ধির শিক্ষা বর্তমান বিশ্বের শতাধিক দেশে প্রচারিত হচ্ছে এবং এই শিক্ষা গ্রহণ করে কোটি মানুষ নিজেকে চরিত্রবান হিসেবে গড়ে তুলছেন।”
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, নজরুল গবেষক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. পিয়ার মোহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান, জাতীয় আইন কলেজের সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান মিয়া, মুফাসসিরে কোরআন ও মুহাদ্দিস এমরান হোসাইন মাজহারী এবং মুফাসসিরে কোরআন হযরত ফখরুদ্দিন রাজি।
ভোর সাড়ে ৩টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলা অনুষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে মোরাকাবা, মিলাদ, হামদ–নাত, জুম্মার নামাজ, দোয়া–মোনাজাত, ইসলামী আলোচনা, গবেষণাধর্মী বক্তব্য ও স্মারকগ্রন্থ উন্মোচন করা হয়। আয়োজনে হযরত রাসুল (সা.)-এর প্রতি প্রেম ও শ্রদ্ধার প্রবল স্রোতধারা সৃষ্টি হয়; সম্মেলন প্রাঙ্গণ ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ, ইয়া হাবিবআল্লাহ্’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা স্মরণ করেন হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর জীবনদর্শন ও আদর্শ, যা অসংখ্য মানুষের জীবনকে বদলে দিয়েছে। তাঁরা বলেন, মানুষ কীভাবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে তাঁর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভ করতে পারে—সেই পদ্ধতি এই মহামানব সারাজীবন শিক্ষা দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা হুজুর ১৯৪৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৯ সালের গণ–অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৪ সালে সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে ইমাম সুলতান আহমদ চন্দ্রপুরী (রহ.)-এর কাছে আধ্যাত্মিক সাধনায় নিমগ্ন হন এবং খেলাফত লাভ করেন। পরে ১৯৮৫ সালে নারায়ণগঞ্জের দেওয়ানবাগে দরবার শরিফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ‘দেওয়ানবাগী’ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
পরবর্তীতে তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১টি দরবার এবং বাংলাদেশসহ বিশ্বের শতাধিক দেশে সহস্রাধিক খানকা ও জাকের মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর চারটি প্রধান শিক্ষা—আত্মশুদ্ধি, দিলজিন্দা, নামাজে হুজুরি ও আশেকে রাসুল হওয়ার শিক্ষা—আজও এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে।
২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর ইন্তেকালের আগে দেওয়ানবাগী হুজুর তাঁর মেজো ছেলে ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা হুজুরের কাছে মোহাম্মদী ইসলাম প্রচার ও দরবার পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন। সমাজসেবামূলক সংগঠন কদর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম কুদরত এ খোদা বর্তমানে তাঁর পিতার পথ অনুসরণ করে বিশ্বব্যাপী সুফিবাদের শান্তির বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে সম্মাননা স্মারক পেলেন আ. ওয়াহাব

0

স্টাফ রিপোর্টার: অক্টোবর ২০২৫ ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার এস আই মো. আ. ওয়াহাব ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ এস আই হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার জনাব গত ৮ ডিসেম্বর দুপুর ৩ ঘটিকায় ঢাকা পুলিশ লাইন্স মিলব্যারাক কনফারেন্স হল রুমে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এস আই মো. আ. ওয়াহাবের হাতে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র তুলে দেন।

আয়োজিত এ সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম এন্ড অপ্স আরাফাত,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোয়েন্দা শাখা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাভার সার্কেল।

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। পুলিশ নিয়মিত সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, অস্ত্রধারী অপরাধী,মাদক,ছিনতাইকারীসহ ডাকাতি ও অপহরণের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে আসছে বাংলাদেশ পুলিশ।

উল্লেখ্য- এস আই আ. ওয়াহাব অক্টোবর ২০২৫ এ ঢাকা জেলার অন্তর্গত ৭ টি থানার ভিতরে সর্বাধিকসংখ্যক উদ্ধারকারী, আসামী গ্রেফতার,মাদক উদ্ধার সর্বাধিক সংখ্যক সেবামূলক কার্যক্রম করতে সক্ষম হয়। এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ এস আই হিসেবে এ পর্যন্ত ৪ বার সম্মাননা স্মারক পেলেন সাভার মডেল থানার এস আই মো. আ. ওয়াহাব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে উদযাপিত হলো আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৫

0

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আয়োজিত এ দিবসের আলোচনায় সামাজিক উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা অগ্রগতিতে স্বেচ্ছাসেবক ও যুব নেতৃত্বের ভূমিকা উঠে এসেছে । এই অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে ভিএসও বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ (আইডিএমভিএস) এবং ন্যাশনাল ইয়ুথ ফোরাম (এনওয়াইএফ) আয়োজন করে, সাথে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে অংশ নেয় গেইন, আইপাস বাংলাদেশ ও ইসলামিক রিলিফ।

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস হল জাতিসংঘ স্বীকৃত একটি বৈশ্বিক দিবস যা স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মান ও নাগরিক সম্পৃক্ততা উন্নয়নের জন্য নিবেদিত। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের এই উদযাপন সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সংস্থা, যুব প্লাটফর্ম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে একত্রিত করেছে এই বার্তা জোরালোভাবে তুলে ধরতে যে প্রতিটি অবদানই গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি টেকসই ও সমতাভিত্তিক ভবিষ্যৎ গঠনে স্বেচ্ছাসেবকদের অপরিহার্য ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিতে।
এ বছরের প্রধান প্রতিপাদ্য, প্রতিটি অবদানই গুরুত্বপূর্ণ এই ধারণাকেই আলোকিত করে যে স্বেচ্ছাসেবকরা ছোট-বড় সকল কাজের মাধ্যমে সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের সূচনা করেন এবং অর্থপূর্ণ পরিবর্তনের প্রেরণা জাগান।
অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয়, অতঃপর ভিএসও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর খবিরুল হক কামালের উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করা হয়।এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান এর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, যুগ্ম সচিব, যুব শাখা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মি. স্টিফেন ফর্বস, কান্ট্রি ডিরেক্টর, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ, মিস নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রম, ফার্স্ট সেক্রেটারি ও ডেপুটি হেড অব ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন, সুইডেন দূতাবাস, অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর তৌফিকুল হক এবং সাংবাদিক ও গবেষক সৈয়দ শিমুল পারভেজ, নির্বাহী পরিচালক, দি সাউথ এশিয়ান ইনিসিয়েটিভ সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে অসামান্য যুব অবদানকে সন্মাননা জানানো হয় নিম্নোক্ত ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে:
২০২৫ সালের সেরা যুব স্বেচ্ছাসেবক পুরস্কার
সেরা বিভাগীয় যুব ফোরাম পুরস্কার
যুব-নেতৃত্বাধীন জলবায়ু গ্র্যান্ট বিজয়ী
এই স্বীকৃতিগুলো নেতৃত্ব, জলবায়ু এডভোকেসি, লিঙ্গসমতা উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনী সামাজিক কর্মকাণ্ডকে সম্মাননা জানায়।

সাভারে প্রবাসীর বাসায় ভাংচুর ও লুটপাট, থানায় অভিযোগ

0

স্টাফ রিপোর্টার:ঢাকার সাভারের মজিদপুর এলাকায় এক প্রবাসীর বাসায় ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঐ প্রবাসীর স্ত্রী ফাতেমা আক্তার (২৪) নিজে বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জানা যায় ফাতেমা আক্তার রংপুর জেলার পীরগাছা থানার তালাকউপাসু এলাকার মতিয়ার রহমানের মেয়ে সাভার পৌর এলাকার মজিদপুর এলাকার প্রবাসী মো. জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২২/১১/২০২৫ ইং তারিখে বাদী ফাতেমা সহ তার পরিবারের সদস্যরা উল্লেখিত সাভারের বর্তমান ঠিকানার বাসার দরজা তালাবদ্ধ করে গ্রামের বাড়ীতে বেড়াতে যান। এমতাবস্থায় গত ০১/১২/২০২৫ ইং তারিখে তারা লোকমাধ্যমে জানতে পারেন বর্তমান ঠিকানার বাসায় অজ্ঞাত নামা কয়েকজন ব্যক্তি প্রবেশ করে ভাংচুর করেছে। এই সংবাদ পেয়ে ফাতেমা অসুস্থ্য থাকায় তার বোন মোসাঃ লাইলী বেগম (৪৫) সাভারের মজীদপুরের বাসায় এসে দেখতে পায় বাসার মেইন দরজার তালা ভাঙ্গা ও খোলা। অতঃপর রুমের ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পায় যে, রুমের ভিতরে থাকা বিভিন্ন জিনিসপত্র, কাপড় চোপড় ছড়ানো ছিটানো, এলোমেলো, কাঁঠের আলমারীর ড্রয়ার খোলা এবং আলমারীতে রক্ষিত ১ টি আইফোন, ২টি স্মার্ট ফোন, ২টি ল্যাপটপ, যাহার অনুমান বাজার মূল্য ২,৫০,০০০/-টাকা, স্বামীর মালিকানাধীন জমির মূল দলিল সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফার্ণিচার যাহার অনুমান বাজার মূল্য ২,০০,০০০/-টাকার ফার্ণিচার নেই এবং বাসার প্রতিটি দরজা জানালা ভাংচুর করা হয়েছে। উক্ত ঘটনার বিষয়ে বাসার আশে-পাশের লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করিলে উক্ত বিষয়ে কেহ কিছুই বলে না। ফাতেমার ধারণা যে, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তাদেরকে হয়রানি ও আর্থিক ভাবে ক্ষতিসাধনের জন্য কোন অজ্ঞাত নামা বিবাদী কিংবা তাদের কোন আত্মীয়স্বজন উক্ত ঘটনা ঘটিয়েছে। তখন তিনি ঘটনার বিষয়ে আত্মীয় স্বজনদের সাথে পরামর্শ করে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন। বাদী ফাতেমার স্বামী জয়নাল আবেদীন আমেরিকা প্রবাসী।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার এসআই মো. কাদের শেখ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামালপুরের আওয়ামী লীগ নেতা সাভারে গ্রেপ্তার, ভিন্ন খাতে প্রবাহিত চেষ্টা আওয়ামী দোসরদের

0

স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার পলাতক আসামি সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।
গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান সাভার মডেল থানার ওসি জুয়েল মিঞা।এরআগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ভাঙা ব্রিজ এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সে রাতেই তাকে হস্তান্তর করা হয় সাভার মডেল থানায় ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৪ সিপিসি-২ কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো. নাজমুল ইসলাম।
র‌্যাব কমান্ডার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ভাঙা ব্রিজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একটি চায়ের দোকান থেকে বদরুল-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ‌শিক্ষার্থী হত্যা মামলা সহ বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত বদরুল আলম সরদার জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ১ নম্বর চরপাকেরদহ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি গত বছরের ৫ই আগস্টের পর থেকে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।
এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা বদরুল আলমকে র‌্যাব গ্রেপ্তারের পর থেকে বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ‌একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিএনপি নেতা-কর্মীদের জড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসা রটাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যেসব ব্যক্তিরা ‌আওয়ামী লীগ নেতা বদরুল আলমের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের জড়িয়ে ফেসবুকে কুৎসা রটাচ্ছেন । তারা বিগত দিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। সাভারের বিএনপিকে জনসাধারণের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই তারা এমন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে জড়িয়ে যেসব বিএনপি নেতা কর্মীর মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে তাদের একজন বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের দোসররা বিএনপিকে জনসাধারণের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ-প্রচার চালাচ্ছে। যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মানহানি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

লাজুক গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে যেভাবে খালেদা জিয়ার উত্থান ‘সাতবছর পূর্ণ হলো’ আপসহীন নেত্রীর হার লাইফ হার স্টোরি ‘

0

স্টাফ রিপোর্টার: ‘বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ, হার স্টোরি’র ; সাতবছর পূর্ণ হলো। বইটির লেখক : মাহফুজ উল্লাহ।
৭০০ পৃষ্ঠার এ বইয়ে লেখক তুলে এনেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর গৃহবধূ থেকে প্রধানমন্ত্রী, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদে কারাবাস সহ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রীর জীবনের অনেক অজানা কথা। ইংরেজি ভাষায় রচিত বইটির নাম ‘বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ, হার স্টোরি’।

বিগত ২০১৮ সালে গুলশানের হোটেল লেকশোরে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন বিশিষ্টজনেরা। অনুষ্ঠানে: প্রখ্যাত অর্থনীতিবীদ ও বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ নজরুল, লায়লা এন ইসলাম, নিউ এইজ’র সম্পাদক নুরুল কবির, ইকতেদার কবির, আনোয়ার হাশিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের রক্তচক্ষু উপেক্ষায় জানমালের অনিরাপদ জেনে বুঝে শোনে ও পিছপা হননি দেশের সুনামধন্য জ্ঞান সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান-দি ইউনিভার্সেল একাডেমি পরিচালক মো: শিহাবউদ্দীন ভূঁইয়া।
যখন দেশে বিএনপি-এমনকি শহীদ জিয়াউর রহমান- খালেদা-তারেক রহমানের নাম মুখে নেয়ার মতন তখনকারদিনে কোনো ধরনের পরিবেশ ছিলোনা। এই অবস্থায় স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের শাসনামলে আমি মোহাম্মদ অলিদ তালুকদার ও শিহাবউদ্দীন ভূঁইয়া সরকারের কঠোর নজরদারিতে
বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মজীবনী এ বইটি প্রকাশের যে সাহসী উদ্দ্যোগ হাতে নিয়েছিলাম বলাবাহুল্য বিরল এক দৃষ্টান্ত নজির আমরা দেখিয়েছি।
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শিহাব ভূঁইয়া এই বইটি প্রকাশের ক্ষেত্রে যে পাহাড় সমপরিমাণ চাপসৃষ্টি মুখোমুখি থেকেও আমরা এ-সব সমস্যার সম্মুখীনের মধ্যে পিছপা না হয়ে সাহসের ভূমিকা পালন করে এসেছি। তখনকারদিনে আমাদের এই সাহসী মনোভাব ও সীদ্ধান্তটা নেওয়ায় সাড়া জ্ঞান সৃজনশীল শিল্পমাধ্যমের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা সহ আরও অনেক কিছুই আলোচনায় যুক্ত হয় বাংলাবাজার। এসব কিছুকে পিছনে ফেলে বইয়ের লেখক দেশবরেণ্য প্রখ্যাত সাংবাদিক, কলামিস্ট ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাহফুজ উল্লাহ’র কথারমূল্য জবানবন্দিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে সম্মান ও মর্যাদার মহত্ত্ব হিসেবে আমরা আমাদের সবকিছুকে
ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় জানাশোনার পরেও আমরা আমাদের দি ইউনিভার্সেল একাডেমি থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এই আত্মজীবনীকে প্রকাশিত করে দিয়েছি।

এমতাবস্থায় সাতবছর পূর্ণ হলো বইটি প্রকাশের। এই আত্মজীবনী সমগ্র বাংলাদেশের মানচিত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হিসেবে মনে করি। ব্যক্তি বেগম খালেদা জিয়াই শুধু নয়-এতে গোটা বাংলাদেশের মানচিত্র জড়িয়ে আছে ‘ খালেদা জিয়ার আত্মজীবনী এই বইটিতে।
বইটির লেখক দেশবরেণ্য প্রখ্যাত সাংবাদিক বড়ভাই জনাব মাহফুজ উল্লাহ ও দি ইউনিভার্সেল একাডেমি মহাপরিচালক বন্ধুবর শিহাবউদ্দীন ভূঁইয়া ও দুনিয়া ছেড়ে পরপারে চলে গেলেন। রেখে গেলেন তাদের স্মৃতির আলোকপাত বীরত্বের সাহসীকতার বর্ণনা। সকলের নিকট উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা দোয়া করবেন আল্লাহ তায়ালা যেন উভয় কেই-; জান্নাত বাসি করুন আমিন।

‘বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ, হার স্টোরি’ বইয়ে সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ ২০০৭ সালের সেনাসমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শেষ সময় পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জীবনকাল তুলে ধরেছেন। ১৯৪৫ সালে দিনাজপুরে জন্ম নেওয়া খালেদা খানম পুতুল কীভাবে সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের স্ত্রী হলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর গৃহবধূর দায়িত্ব ছেড়ে নেন বিএনপির গুরুদায়িত্ব নেন—এসবের বর্ণনা আছে বইটিতে।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভুত্থ্যানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর প্রায় ৭ মাস পর দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের আহ্বানে ১৯৮২ সালে ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন খালেদা জিয়া। রাজনীতিতে তার আগমন ও ‘আপসহীন’ নেতৃত্ব, সামরিক এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে টানা আট বছরের সংগ্রাম শেষে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার গল্পগুলো তুলে এনেছেন মাহফুজউল্লাহ।

তার লেখা এ বইয়ে বিশেষ প্রাধান্য পেয়েছে সেই সময়ের ঘটনা ও ঘটনার আড়ালের গল্প। ১৯৯১-এর আগে রাজনৈতিক সংগ্রাম, আন্দোলন এবং ২০০৬ সাল পরবর্তী সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদে খালেদা জিয়ার জেলজীবন বইটির বড় অংশজুড়ে রয়েছে।

সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ এর আগে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনীগ্রন্থ রচনা করেছেন। ওই বইটির নাম ‘প্রেসিডেন্ট জিয়া অব বাংলাদেশ: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি’।

মাহফুজউল্লাহ জানান, খালেদা জিয়ার জীবনী ভিত্তিক বইটি তার সর্বশেষ জীবনীগ্রন্থ। এরপর তিনি আর কোনও ব্যক্তির জীবনী নিয়ে লিখবেন না।

“হার লাইফ, হার স্টোরি” বলতে মূলত সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর লেখা বেগম খালেদা জিয়ার জীবনী গ্রন্থ বোঝানো হয়, যার ইংরেজি নাম “Begum Khaleda Zia: Her Life, Her Story”। এই বইটি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জীবনীর ওপর আলোকপাত করে। এতে তার রাজনৈতিক জীবন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
লেখক: মাহফুজ উল্লাহ
বিষয়: বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্ম
ভাষা: ইংরেজি
প্রকাশনা: দ্য ইউনিভার্সেল একাডেমি
প্রকাশকাল: ২০১৮ সালে মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

সাভারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের আলোচনা সভা

0

স্টাফ রিপোর্টার: ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশুলিয়ার বাইপাইলে অবস্থিত এলাহী কমিউনিটি সেন্টারে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল হক সৌরভ, ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন সিকদারসহ জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীবৃন্দ।

সভায় বক্তারা ৭ই নভেম্বরের চেতনা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তারা বলেন, ৭ই নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন, যেদিন সৈনিক ও জনতার ঐক্য দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।

মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, “৭ই নভেম্বর আমাদের জাতীয় ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ মুক্তচিন্তা, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের যে চেতনা প্রতিষ্ঠা করেছিল, তা আজও আমাদের আন্দোলনের অনুপ্রেরণা। ছাত্রদলের প্রতিটি কর্মীকে সেই বিপ্লবী চেতনা ধারণ করে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।”

আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

সাভারে দুই সাংবাদিকের নামে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

0

স্টাফ রিপোর্টার:ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নাছরীন আক্তার কর্তৃক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বাংলাদেশ বুলেটিন’-এর সাভার প্রতিনিধি সফি সুমন এবং আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাকিব আসলামের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি।

বুধবার (৫ই নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় আশুলিয়া রাজত্ব সার্কেল ভবনের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে কর্মরত সকল সাংবাদিকরা একাত্মতা প্রকাশ করে মানববন্ধনে অংশ নেন এবং অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

​মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ওসি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন চুরির মামলা গ্রহণ করেছেন। তারা আরও অভিযোগ করেন, কোনো প্রকার প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দ্রুততার সাথে মামলাটি নথিভুক্ত করেছেন, যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে চ্যালেঞ্জ করার সামিল। একাজে সহযোগীতা করেছেন আওয়ামীলীগের ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নাছরীন আক্তার ।

বক্তব্যে আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি লাইজু আহম্মেদ চৌধুরি বলেন, “সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার জন্য চুরির মতো মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আমরা এই হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অনতিবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাই। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

আশুলিয়া প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, আমরা শুধু জনস্বার্থে তথ্য জানতে চাই। ব্যক্তিগত সুবিধা নিতে যাই না। তার ফলস্বরূপ আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এই মামলা আমাদের কাজ থেকে বিরত রাখতে পারবে না। আমরা প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করছি।

এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, আশুলিয়া প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মানিক। এসময় বক্তারা সকলে একযোগে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং নেত্রী নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে ভূমি জালিয়াতির অভিযোগগুলো তদন্তের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

​মানববন্ধনে আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সকল সদস্যসহ সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২ই নভেম্বর আশুলিয়া থানায় ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নাছরীন আক্তার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। আসামী করা হয়েছে দুই সাংবাদিককে।

সাভারে পাঁচটি ইটভাটায় অভিযান: দুইটি ইট ভাটাকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা

0

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার সাভারের অবৈধ ৫টি ইটভাটায় অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান আদালত। এই সময় দুটি ইট ভাটাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সাভারের ভাকুর্তার কলাতিয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাইরুন নাহার ও আশিক আহামেদ সংঘবদ্ধভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব ও পরিচালক মনিটোরিং এন্ড ইনফোসমেন্ট উইং সৈয়দ ফরহাদ হোসেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাইরুন নাহার জানান, পরিবেশের অনুমোদন বিহীন ৫টি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে আমরা কাচা ইটসহ ইট তৈরীর সরঞ্জাম বিনষ্ট, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ১ ইট ভাটার চিমনী গুড়িয়ে দেই এবং ২ টির আংশিক ভেঙ্গে দিয়েছি। এছাড়া বিসিএম ও এমএইচবি নামক ২ টি ইট ভাটাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে সাভারের বিভিন্ন ইউনিয়নের গড়ে উঠা ১০৬ টি ইট ভাটা বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং অভিযানের সহায়তায় যৌথ বাহিনী, বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিস এবং পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।