স্টাফ রিপোর্টার:যারা পিআর পদ্ধতি চায়,তারা নির্বাচন ভন্ডুলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী আমানউল্লাহ আমান। তিনি বলেন,পিআর পদ্ধতি এ দেশের মানুষ চায় না। যেসব দলের জনপ্রিয়তা নেই;তারা পিআর পদ্ধতি চাচ্ছে। আগামী নির্বাচনে ইনশাল্লাহ বিএনপি ক্ষমতায় আসবে।
বুধবার সন্ধ্যায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ও ভাকুর্তা ইউনিয়নের প্রতিটা মন্দির পরিদর্শন ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি।
তিনি রামচন্দ্রপুর হরিদাস মনির কুটিবাড়ি মন্দির,মা রক্ষা কালি মন্দির,দুর্গামন্দির,গোপাল রাজবংশী বাড়ী মন্দির,দীনেশচন্দ্র সরকারের বাড়ী মন্দির,ধনঞ্জয়বাড়ী লক্ষী মন্দির,নারায়ন চন্দ্র সরকারের বাড়ী মন্দির পরিদর্শন করেন।
পিআর পদ্ধতি যারা চায়, তারা নির্বাচন ভন্ডুলের চেষ্টা চালাচ্ছে: আমান
ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল সভাপতির পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। তিনি এসব পূজা মণ্ডপে গিয়ে পূজার আয়োজক কমিটির সদস্য ও উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শুধু পরিদর্শনই করেননি, বরং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পূজা মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তার দায়িত্বে অংশ নেন। তারা ভক্তদের যাতায়াত, সার্বিক শৃঙ্খলা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন বলেন, “ ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। আমাদের এই সম্প্রীতির বন্ধনকে অটুট রাখতে হবে। ছাত্রদল সর্বদা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবে আমরা মানুষের পাশে থাকব।”
পূজা মণ্ডপের আয়োজক ও ভক্তবৃন্দ ছাত্রদল নেতাদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, রাজনৈতিক দলের এ ধরনের সহযোগিতা সমাজে সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে।
এ সময় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
সাভারে বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার:সাভারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাভার পৌর ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে ইমান্দিপুর এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুস সামাদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর আলী ডাউর এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাভার পৌর বিএনপির সভাপতি শাহ মাঈনুল হোসেন বিল্টু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিল্টু বলেন, “বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংহত করতে হবে। নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং পুরাতন সদস্যদের নবায়নের মাধ্যমে আমরা সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি।উপজেলার প্রতিটা ওয়ার্ডে যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়ন করা হবে। এই সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি শুধু সদস্য বাড়ানোর জন্যই নয়,বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য।”
এসময় তিনি আরও বলেন, “এমন কোনো ব্যক্তিকে সদস্য বানাবেন না যিনি রাজনৈতিক,সামাজিক এবং এলাকায় বিতর্কিত ব্যক্তি। যারা বিএনপির আদর্শে বিশ্বাসী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী, আমাদের তারেক জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী এবং যে অতীতে অন্য কোন রাজনীতি দল করে নাই তার রাজনীতির শুরুটাই হবে বিএনপি দিয়ে। তবে এমন কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে সদস্য বানাবেন না যেন বানাতে গিয়ে নিজেরাই বিতর্কিত হন।”
আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইব্রাহিম মিয়া, সাভার পৌর ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের, সাভার পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ প্রদীপ, সাভার পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম খান,সাভার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ হোসেন ইউসুফসহ উপজেলা ও স্থানীয় বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীগণ।
সাভারে পৌর যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে পৌর যুবদলের উদ্যোগে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভাগলপুর টপ ক্লাস কমিউনিটি সেন্টারে এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক তথ্য- যোগাযোগ ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. আলী ঝন্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী জালাল উদ্দিন সরকার। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাভার পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টু।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইব্রাহিম মিয়া, সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ প্রদীপ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সামিরুল হক সামির এবং সাভার থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসাইন ডালিম।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক মো. এমদাদ মিয়া। আয়োজিত এ কর্মী সভায় বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সাভারে যুব সমাজের উদ্যোগে হোন্ডা ও ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫
স্টাফ রিপোর্টার:সাভারে”মাদককে না বলি,লেখাপড়া ও খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলি “এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজাসন যুব সমাজের উদ্যোগে হোন্ডা ও ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর ১ম কোয়ার্টার ফাইনাল ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাভার পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড রাজাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রীতিপূর্ণ এ খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। সাভার পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক এ্যাডভোকেট মো. আব্দুল করিম।
টুর্নামেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সাভার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাসেল।১ম কোয়ার্টার ফাইনাল ফুটবল খেলাটির শুভ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মো. জাকির হোসেন।
আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মো. আব্দুল হালিম,জুনায়েদ ফার্মেসীর প্রতিষ্ঠাতা ডা. জামাল উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন হিমেল খান ।
১ম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের এ খেলায় জাহাঙ্গীর ফুটবল একাডেমি ও এ জে ফুটবল একাডেমি ১-১ গোলে অমিমাংশিত থাকলে, টাই-ব্রেকারের মাধ্যমে এ জে ফুটবল একাডেমি সেমিফাইনালে উন্নিত হয়।
গকসু নির্বাচন: এজেন্ট-সাংবাদিক ছাড়াই ভোটগণনা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
স্টাফ রিপোর্টার: গণ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনের ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ‘বদ্ধভাবে’ ভোটগণনা চলছে এবং গণনাস্থলে কোনো প্রার্থীর এজেন্ট, প্রার্থী কিংবা সাংবাদিককে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এতে পক্ষপাতিত্বের শঙ্কা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষে বিকেলে ভোটগণনা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সাংবাদিক ও প্রার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে চাপের মুখে গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির পাঁচজন সাংবাদিককে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তাদের ছবি তোলা ও সরাসরি গণনা পর্যবেক্ষণে বাধা দেওয়া হয়।
ভিপি প্রার্থী শেখ খোদার নুর ইসলাম অভিযোগ করেন, “ভোটগণনায় প্রার্থীদের থাকতে দেওয়া হয়নি। শিক্ষকরা নিজেরা ভোট গুনছেন। এতে আস্থা রাখা কঠিন। আমার ভোট আমার খাতায় গণনা হচ্ছে কিনা সেটা জানার অধিকার আমার আছে।”
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র ড. ফুয়াদ হোসেন জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে ছয়জন শিক্ষক দায়িত্বে আছেন এবং তারা ভোটগণনা শেষে স্বাক্ষরিত ফলাফল কন্ট্রোল রুমে জমা দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনার ডা. মো. জামিলুর রহমান দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আগেই সমঝোতা হয়েছিল যে কোনো এজেন্ট থাকবে না এবং কারচুপির সুযোগ নেই।
তবে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, প্রক্রিয়াটি অস্বচ্ছ হওয়ায় গকসু নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
ড্রেন নির্মাণে বাঁধা দেওয়ায় স্বপনকে পেটালেন আরিফ চেয়ারম্যানের লোকজন
স্টাফ রিপোর্টার: সাভার সদর ইউনিয়নে ড্রেন নির্মাণকে কেন্দ্র করে একতরফা হামলার ঘটনায় স্বপন মিয়া নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত স্বপন আলীর অভিযোগ,একটা পরিবারের জন্য গাছ কেটে জমি কেটে,গাছের শিকড় কেটে আমার জমির ওপর দিয়ে ড্রেন করে নিতেছে। চেয়ারম্যান আরিফ আমাকে বলে,”এটা সরকারি কাজ, তুই বাঁধা দেওয়ার কে? তখন আমি কাগজপত্র দেখতে চাইলে সে আমার ওপর আরও চড়াও হয়। একপর্যায়ে আমি বললাম-এটা সরকারি কাজ হইলে আমি গাছ কেটে দিবো, সহযোগীতা করবো, কোনো বাঁধা দিবো না।।”
স্বপন এ প্রতিবেদককে আরও অভিযোগ করে বলেন, কাগজ দেখতে চাওয়ায় আরিফ চেয়ারম্যান আমাকে হুমকি দিয়ে বলে-আমি ড্রেন করবো,তুই যদি ওইখানে যাস,বাধা দেস, তাহলে বাড়ই-মারই পাও-পৌ ভাঙ্গে ফালামু। তখন আমি তাকে বলি ভাই; এটা আমার বাব-দাদার জায়গা! আমার বাব-দাদার জায়গার ওপর দিয়ে যদি ড্রেন না নিতে দেই তাহলে কেউ নিতে পারবো না। সরকারি কাজ হইতো, কোনো সমস্যা হতো না,বাঁধা দিতাম না। এটা বেসরকারি কাজ,এটা আমি নিতে দিমু না। এধরণের কথা বলার পর উনি চলে গিয়ে ৩/৪ জনকে পাঠায় দিছে। চেয়ারম্যানের ড্রাইভার ও তার চাচাতো ভাইয়েরা আইসেই আমারে পাইপ দিয়ে বাড়োইছে।
অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরিফ মাদবর দাবি করেছেন,”সরকারি রাস্তার যে জায়গায় ড্রেন করতেছি,স্বপন সে জায়গায় ড্রেন করতে দিবে না। এই জায়গাতো সরকারের তুমি বাঁধা দেও কেন? গতকাল-কে(২৩সেপ্টেম্বর) কাজ ধরছি,সে কাজ বন্ধ করে দিছে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে। তবে স্বপনের ওপর আপনি ও আপনার লোকজন হামলা করেছেন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এটা মিথ্যা, আমি ড্রেন করতে দিবো না(স্বপন), এমন তর্কাতর্কি হইছে। আমি ড্রেন করবো,তুই ঠেকাস।ওইখানে লোকজন ছিলো, তারা আমাকে বলে-ভাই যানগা,আমি চলে গেছি,পরিষদে কাজ করছি। আমার বাড়ীর সামনের ঘটনা। আমার সাথে তর্কাতর্কির খবর পেয়ে ছোট ভাই পরে গিয়ে বলছে-চেয়ারম্যানের সাথে কি হইছে? একপর্যায়ে ওর সাথেও তর্কাতর্কি হইছে,একটু হাতাহাতি হইছে।
এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়েছে।স্থানীয়রা বলছেন, ড্রেনটি নির্মাণ হলে একটি বাড়ি বিশেষভাবে সুবিধা পাবে, আবার কেউ বলছেন এটি সরকারি রাস্তার ওপর হওয়ায় জনস্বার্থে কাজটি জরুরি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাভারে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত জনসভা অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে কাউন্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়নে কাউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজিত এ জনসভায় কাউন্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন বাদলের সভাপতিত্বে ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোতালেব হোসেন বাবলুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দারুসসালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এস এ সিদ্দিক। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাজু বলেন, আমি এই ইউনিয়নের সন্তান,আমার বাবা সারাজীবন আপনার পাশে থেকে সেবা করেছেন, আমিও সারাজীবন আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আগামী নির্বাচনে আপনারা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচিত করবেন এটাই আপনাদের আমার প্রত্যাশা। আমি নির্বাচিত হতে পারলে আপনাদের সকল সমস্যা সমাধান করবো ইনশাআল্লাহ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-ঢাকা বিভাগের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সাইদুল, সাভার থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী শহিদুল ইসলাম শহীদ।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দারুসসালাম থানা যুবদলের সদ্য সাবেক সভাপতি ও কাউন্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোমিনুল ইসলাম মোমিনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী।
আশুলিয়া ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের অধীনে সাভার উপজেলার আশুলিয়া ও বিরুলিয়া ইউনিয়নে নতুন আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দুই ইউনিয়নের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উভয় ইউনিয়নের নতুন কমিটির নাম ও পদবী প্রকাশ করা হয়।
আশুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে দায়িত্ব পেয়েছেন সভাপতি মোহাম্মাদ রয়মান মোস্তফা এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোসাব্বির শিহাব। কমিটিতে সহ-সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে একাধিক নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বিরুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ তুহিন আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাব্বির আহমেদ। এখানেও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সহ-সভাপতি ও সম্পাদকমণ্ডলীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের লড়াই-সংগ্রামে ত্যাগ স্বীকার করা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি যোগ্যতা ও সক্রিয় ভূমিকার ভিত্তিতে তরুণ নেতৃত্বকে সামনে নিয়ে আসায় কমিটিকে ‘সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন অনেকেই।
স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর এমন একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য কমিটি দেওয়ায় তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এই কমিটি আশুলিয়া ও বিরুলিয়ায় ছাত্রদলের কার্যক্রমে নতুন গতি ও ঐক্যের সঞ্চার করবে। এজন্য তারা ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের নেতৃত্বকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
“শিক্ষা, ঐক্য ও প্রগতি”-র মূলমন্ত্রকে ধারণ করে গঠিত এই কমিটি স্থানীয় পর্যায়ে ছাত্রদলের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করবে।
ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং তাদের সফলতা কামনা করা হয়েছে।
ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের দাবিতে নিউ নেশনে সভা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) অন্যতম ইউনিট নিউ নেশনে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের দাবিতে ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় নিউ নেশন কার্যালয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিউ নেশন কর্তৃপক্ষের প্রতি ৮ম ওয়েজবোর্ড দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।
নিউ নেশন ইউনিট চিফ মো মোশারেফ হোসেন সিকদারের সভাপতিত্বে ও ডেপুটি ইউনিট চিফ মো শিমুল হাসানের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিইউজের কোষাধক্ষ্য খন্দকার আলমগীর হোসাইন, নির্বাহী কমিটির সদস্য গাযী আনোয়ার, আবদুল্লাহ মজুমদার ও নিউ নেশন ইউনিটের সদস্যবৃন্দ।
নিউ নেশন পত্রিকার সিটি এডিটর আবুল কালাম বলেন, এখন আর সেই বাংলাদেশ নেই যেখানে সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে টালবাহানা করার কোনো সুযোগ রয়েছে। ওয়েজবোর্ড (মজুরি বোর্ড) বাস্তবায়ন ছাড়া কোনো পত্রিকা সরকারের কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবার অধিকার রাখে না। এই পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওয়েজবোর্ড সুবিধা না দিলে অবশ্যই নিউ নেশনের রেট কার্ড বাতিল হবে।
সাংবাদিকদের ন্যায্য দাবি মানার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন নিউ নেশনের ঘুরে দাঁড়াবার সময় কিন্তু তারা বিষয়টি বুঝার চেষ্টা করছে না। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তীতে নিউ নেশন সরকারের সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরেও সাংবাদিকদের অধিকার নিশ্চিতে গড়িমসি করছে যা আগামী দিনে এই পত্রিকার জন্য অশনি সংকেত স্বরুপ।
খন্দকার আলমগীর হোসাইন বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের যখনই কোনো আন্দোলন গড়ে উঠে, তখনই মালিকদের পক্ষে কিছু দালাল শ্রেণী তৈরি হয়। এই দালালদেরকে মালিকরা সবসময় এমনভাবে চিত্রায়িত করেন যে, তিনি বা তারা ছাড়া কেউ কাজ করে না। দালালই সব কাজ করেন এমন প্রচারণা তারা চালায়। এরকম সব হাউজেই কম বেশি রয়েছে। এই দালালদের পরাস্ত করেই দাবি আদায় বাস্তবায়ন করতে হবে।
সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা করাই ইউনিয়নের মৌলিক কাজ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনাদের পত্রিকায় (নিউ নেশন) ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে যা করণীয় সে ক্ষেত্রে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) তা করতে শতভাগ প্রস্তুত। নিউ নেশনে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ডিইউজে তার শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে আপনাদের চলমান আন্দোলনের পাশে থাকবে।
তিনি বলেন, ওয়েজবোর্ড দাবি আদায় আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত বা নস্যাৎ করার জন্য এ আন্দোলনের অন্যতম মুখপাত্র নিউ নেশন ইউনিট চিফ মো মোশারেফ হোসেন সিকদারকে (নোমান মোশারেফ) ডিএফপি (চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর) থেকে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করা হয়েছে এই মর্মে একটি অনাপত্তিপত্র আনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। অন্যথায় চাকরিচ্যুতি করা হবে এবং কোনো সুবিধাদি দেয়া হবে না এমন নোটিশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়ে ওয়েজবোর্ড দাবীকে বানচাল করা যাবে না এমন সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যারা এসব ঘৃণ্য ও আত্মঘাতী চিন্তা করছেন আমি বলবো তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সম্পর্কে তাদের ধারণার ঘাটতি রয়েছে। তাই আবারো কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করছি সাংবাদিকদের যোক্তিক দাবি মেনে নিন।
গাযী আনোয়ার বলেন, ব্যক্তিগত লাভকে প্রাধান্য না দিয়ে সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষার জন্য আমাদেরকে মজুরিবোর্ড বাস্তবায়নে লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত। গত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে নিউ নেশন বৈষম্যের শিকার হয়েছে। জুলাই বিপ্লব পরবর্তীতে ডিইউজের সহযোগিতায় নিউ নেশনের রেট কার্ডের যথেষ্ট উন্নতি (১৩ থেকে ৩) ও বিজ্ঞাপনের পরিমান অনেক বেড়েছে। কিন্তু তা সত্বেও কর্তৃপক্ষ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এখানে কর্মরত সকলের ওয়োজবোর্ড বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে দূরভিসন্ধিমূলক কার্যক্রম নিউ নেশনে কর্মরত সাংবাদিক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মেনে নিবে না এমন হুশিয়ারি উচ্চারণ করে মো মোশারেফ হোসেন সিকদার বলেন, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন সাপেক্ষে নিউ নেশনের ভবিষ্যত নির্ধারিত হবে। কর্তপক্ষের প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি সকলের (মালিক ও কর্মরতদের) স্বার্থে এই দাবি মেনে নিন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ফিচার এডিটর শেখ আরিফ বুলবন, স্পোর্টস ইন-চার্জ কামাল হোসেন বাবলু, কম্পিউটার ইনচার্জ শাহ আলম, সিনিয়র স্পোর্টস রিপোরর্টার মো সাব্বির হাসান, চীফ রিপোর্টার রেজা মাহমুদ, সিনিয়র রিপোর্টার আল মামুন হারুন উর রশিদ, মো আবু জাকির, স্টাফ রিপোর্টার মুহিদ হাসান, সিনিয়র সাব-এডিটর মুহাম্মদ খালেদ আসগর, সাব-এডিটর মো তানভীর আহম্মেদ, তাসনুভা আক্তার রিপা, খন্দকার ওবায়েদ, ইশরাত জাহান মারিয়া, প্রুফ রিডার মো. আমিনুল হাসিব চৌধুরী, চিফ ফটো জার্নালিস্ট মঈন উদ্দিন আহমেদ, ফটো জার্নালিস্ট সালাহউদ্দিন আহমেদ শামীম, কম্পিউটার অপারেটর মো আব্দুর রউফ, মো আতাউর রহমান, হারাধন আচার্য্য রিমন, মো রমজান আলী ও শ্যামল চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।









