স্টাফ রিপোর্টার: ২১ ফেব্রুয়ারী মায়ের ভাষার জন্য প্রাণ বিসর্জনের দিন। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করতে তাজা রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। এই দিনটি বাঙালি জাতির জন্য শোকাবহ আর গৌরবোজ্জ্বলের। সময়ের পথ ধরে এই দিনটি তাই ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’।
মাতৃভাষা আন্দোলন পা দিয়েছে ৭৩ বছরে। মহান এই ভাষা শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছে আজ গোটা জাতি। যেখানে আছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও।
অন্তর্জালের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক নেতা, সাভার পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মো. রাশেদুল ইসলাম রাসেল তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লিখলেন, ‘সকল ভাষা শহীদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও দোয়া…যাদের আত্মত্যাগে আমরা পেয়েছি আমাদের মাতৃভাষা “বাংলা”। সবাইকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।’একটি ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি। যেখানে লেখা আছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অমর সেই গানের শুরুর লাইন-
আমার ভাইয়ের
রক্তে রাঙানো
একুশে ফেব্রুয়ারি,
আমি কি ভুলিতে পারি।
“পরিশেষে সবাইকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের রক্তিম শুভেচ্ছা জানিয়ে বিনয়ের সাথে দিনটি উদযাপনেরও আহবান জানিয়েছেন তািনি।”
স্টাফ রিপোর্টার: সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুবকর সরকার বরাদ্দকৃত সাবমার্সিবল গভীর নলকূপ লটারীর মাধ্যমে বিতরণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সাভার উপজেলায় বরাদ্দকৃত সাবমার্সিবল গভীর নলকূপ স্থাপনে বিভিন্ন ব্যক্তিদের নিকট থেকে ২২০টি আবেদনপত্র জমা হয়।
আবেদনকারীর সংখ্যা বেশী হওয়ায় লটারির মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন করেন তিনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এ সিদ্ধান্তটি এলাকায় বেশ প্রশংসিত হয়। সাভার উপজেলায় এই প্রথম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে গভীর নলকূপ স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুবকর সরকার বলেন, সাভার উপজেলায় বরাদ্দের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এছাড়া আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায় যারা আবেদন করেছেন তারা প্রায় সবাই সাবমার্সিবল গভীর নলকূপ প্রাপ্তির যোগ্য। কিন্তু বরাদ্দের পরিমাণ কম হওয়ায় আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ব্যক্তিকে সাবমার্সিবল গভীর নলকূপ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় সবাই খুশি হয়েছেন।
স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্তটি নিয়ে সাভারে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুবকর সরকার।
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার ধামরাইয়ে আলাদীনস পার্কে বনভোজনে আসা ঢাকার মিরপুরের বনফুল আদিবাসী গ্রীণ হার্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনায় পার্কের কর্মচারীদের সঙ্গে মারামারি, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
এতে পার্কের মালিকের ছেলে রিফাত মাহমুদ, পার্কের ম্যানেজার রনি, পার্কের মালিক আলাউদ্দিন ও কর্মচারী আবুল কালাম আজাদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এ মামলার বাদি হয়েছেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হাই মজুমদার।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের সীতি এলাকার আলাদীনস পার্কে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পার্কের ভেতরে অফিসের সামনে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন হারানোর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পার্কের মালিকের ছেলে রিফাত মাহমুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শিক্ষক মন্ডলীসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে শিক্ষক রিপন হালদারসহ শিক্ষার্থী নাফিস, আহনাফ, তুর্য, হাসান আল মুক্তাহিদ, জাকারিয়া, গোলাম সারোয়ার, আবু আল মাহিয়ানকে রক্তাক্ত জখম করে। এ ছাড়া আরো কয়েকজন আহত হয়েছে।
পার্কে আসা শিক্ষার্থীদের বহনকারী ৮টি বাস ভাঙচুর করে পার্কের স্টাফ ও কর্মচারীরা। আহতদের সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় শিক্ষার্থীদের ২০-২৫টি এনড্রয়েড মোবাইল ফোন সেট নিয়ে নেয় পার্কের স্টাফ ও কর্মচারীরা।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের সীতি এলাকায় আলাদীনস পার্কে ঢাকার মিরপুর থেকে ‘বনফুল আদিবাসী গ্রীণ হার্ট স্কুল ও কলেজ’র প্রায় ৬ শ শিক্ষক-শিক্ষার্থী বনভোজনে আসেন।
তাদের মোবাইল ফোন ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখার জন্য পার্ক কর্তৃপক্ষ থেকে লকার দেওয়া হয়। ওই লকার থেকে মোবাইল হারানোর অভিযোগ এনে পার্কের কর্মচারী রিয়াদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় কয়েক শিক্ষার্থীর। একপর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ সময় সুইমিংপুল সংলগ্ন ভবনের থাই গ্লাস ভাঙচুর করে শিক্ষার্থীরা। খবর পেয়ে পার্কের কর্মচারীরা সেখানে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।
এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। পরে পার্কের কর্মচারীরা পিকনিকে শিক্ষার্থীদের বহন করা ৮টি বাস ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বনফুল আদিবাসী গ্রীণ হার্ট স্কুল ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক জাকিদুল ইসলাম জানান, লকার থেকে ছাত্রদের মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে পার্কের কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়।
পার্কের মালিক আলাউদ্দিন জানান, লকারে রাখা মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ এনে পার্কের কর্মচারী রিয়াদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর কয়েকজন কর্মচারীকে মারধর করে শিক্ষার্থীরা ও পার্ক ভাঙচুর করে আমার অনেক ক্ষতিসাধন করে। তবে বাস ভাঙচুরের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম বলেন, আলাদীনস পার্কে পিকনিকে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পার্কের স্টাফ ও কর্মচারীদের মারামারির ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দিয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। তবে বাকীদের আটক করার ব্যাপারে আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার:সাভার পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড রাজাসন প্রাইমারি স্কুল মাঠে রাজাসন প্রিমিয়ার লীগ নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম রাসেল এর আয়োজনে এ প্রিমিয়ার লীগ নাইট ক্রিকেট খেলায় ইমন একাদশ ও পিচ প্রেডিটরস্ অংশ গ্রহণ করে। ইমন একাদশ ১০৪ রান করে বিজয়ী হয়।
পরে খেলায় চ্যাম্পিয়ন ইমন একাদশ ও রানার আপ পিচ প্রেসিডরস্ এর হাতে ট্রফি তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক ঢাকা-১৯ এর সাবেক সাংসদ ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন করেন সাভার পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী মো. রফিকুল ইসলাম।সঞ্চালনায় ছিলেন রাজাশন প্রিমিয়ার লীগ এর ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিমেল খান।
খেলাটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সাভার পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী,রাজাসন স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. রাশেদুল ইসলাম রাসেল।
এসময় অনেকের মধ্যে উপস্থিতি ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাজী নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুল করিম পালোয়ান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক মেহেদী রানা শহীদ, মোশারফ হোসেন মোল্লা প্রমুখ।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে নতুন ভোটারদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধনে চরম ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে।সোমবার সকাল থেকে সাভার পৌরসভার ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের নতুন ভোটারদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরু হয় রাজাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে।
খোজ নিয়ে জানা যায়, সকাল ৬টা থেকে বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন নতুন ভোটার হওয়ার জন্য। সকাল সাড়ে ৮টায় নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। তবে শেষ পর্যন্ত নিবন্ধন না করে বাড়ি ফিরতে হয়েছে প্রায় ৫’শ মানুষকে। এবার ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছে ৩ হাজার ৩৯০ জন।
৮নং ওয়ার্ডের রাজাসন এলাকার তথ্য সংগ্রহকারি রতন বলেন, আমি সকাল ৭ টারদিকে রাজাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যাই। আমাদের এলাকার অনেকেই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নিবন্ধন করতে না পেরে চলে এসেছে।
নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য গিয়ে সারাদিন অপেক্ষা করেও ছবি তুলতে না পাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন আবির নামের এক ভুক্তভোগী।
৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম রাসেল বলেন,সাভার পৌরসভার ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সুন্দরভাবে চলছে। গতকাল নিজেদের মধ্যে একটু ভুল বোঝা বুঝির কারণে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তারপর থেকে আমি এবং আমার এলাকার যুবসমাজকে নিয়ে সার্বিক সহযোগিতা করছি।এখন খুব সুন্দর ভাবে হালনাগাদ কার্যক্রম চলছে। নতুন ভোটাররা আনন্দের সাথে ভোটার হচ্ছে।
উল্লখ্য, নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করতে ও নাগরিকদের ভোগান্তি এড়াতে তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয় ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য। তবে এই প্রক্রিয়ায় নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, তালিকা থেকে বাদ পড়া নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ এবং মৃতদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কথা থাকলেও তা নিয়ম মেনে করা হয়নি সাভারে।
স্টাফ রিপোর্টার:সাভারে বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’র স্মরণে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শাহীবাগ স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজিত এ মিনিবার ফুটবল খেলায় সোবহানবাগ স্পোর্টিং ক্লাব ও শাহীবাগ স্পোর্টিং ক্লাব অংশ নেয়।
পরে খেলায় টাইব্রেকারে বিজয়ী শাহীবাগ স্পোর্টিং ক্লাবের হাতে ট্রফি তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা লায়ন খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাভার পৌর ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তাজ খান নাঈম।
অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা ইউনুস খান,
এসময় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেন টুটুল, রাশেদুজ্জামান বাচ্চু
বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী পাঠান প্রমুখ।
খেলার আয়োজক ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম রুবেল।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’র স্মরণে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শাহীবাগ স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজিত এ মিনিবার ফুটবল খেলায় সোবহানবাগ স্পোর্টিং ক্লাব ও শাহীবাগ স্পোর্টিং ক্লাব অংশ নেয়।
পরে খেলায় টাইব্রেকারে বিজয়ী শাহীবাগ স্পোর্টিং ক্লাবের হাতে ট্রফি তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা লায়ন খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাভার পৌর ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তাজ খান নাঈম।
অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা ইউনুস খান,
এসময় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেন টুটুল, রাশেদুজ্জামান বাচ্চু
বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী পাঠান প্রমুখ।
খেলার আয়োজক ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম রুবেল।
স্টাফ রিপোর্টার: বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো দ্বাদশ সমাবর্তন অনুষ্ঠান।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে
বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
এতে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে ছিলেন লেবাননের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অধ্যাপক ড. হাসান দিয়াব।
এ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সবুর খান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম লুৎফর রহমান ও বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ। ভ্যালিডেকটোরিয়ান বক্তব্য প্রদান করেন টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের গ্র্যাজুয়েট মাশুর সাদ করিম।
সমাবর্তনে ৩ হাজার ৯৫১ জন গ্র্যাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জনকারী ১২ গ্র্যাজুয়েটকে চ্যান্সেলর, চেয়ারম্যান, উপাচার্যসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক প্রদান করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, সমাবর্তনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো আপনাদের প্রাথমিক শিক্ষা। এখন আপনাদের অর্জিত শিক্ষা দেশ ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর পালা।সুতরাং, আজ আপনারা প্রতিজ্ঞা করুন, আপনারা যা পেয়েছেন, তার বহুগুণ দেশকে ফিরিয়ে দেবার চেষ্টা করবেন। সেই সাথে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনেও অবদান রাখবেন।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ইটভাটা, টায়ার গলিয়ে তেল উৎপাদন ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর কারখানায় অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একটি ইটভাটার চুল্লি ভেঙে দেয়াসহ ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে গড়ে ওঠা টায়ার গলিয়ে তেল উৎপাদনের ৩টি কারখানা ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর ২টি কারখানা গুড়িয়ে দেয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার আশুলিয়া ইউনিয়নের রুস্তমপুরে সেভেন স্টার ব্রিকস (এসবি) ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। ইটভাটা পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ওই ইটভাটার আগুন নিভিয়ে দিয়ে দুটি চুল্লি ভেঙে দেয়া হয়। এছাড়াও ইটভাটার মালিককে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়নের বিলামালিয়া এলাকায় টায়ার গলিয়ে তেল উৎপাদনের ৩টি কারখানা ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর ২টি কারখানা গুড়িয়ে দেয়া হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুবকর সরকার। এসময় আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আক্তার, সাভার সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জহিরুল আলম ও আমিনবাজার সার্কেলের মোহাম্মদ বাসিত সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুবকর সরকার বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান পরিবেশ দূষণ করে, পরিবেশ ছাড়পত্র নাই কাগজপত্র নাই সেসব পরিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আজকে তাদেরকে কোনো জেল দেওয়া হয় নি,শুধুমাত্র শতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। তবে আগামীতে তারা যদি উপযুক্ত কাগজপত্র ছাড়া ইটভাটা পরিচালনা করে তাহলে আমরা তাদেরকে আইনের আওতায় আনবো এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদেরকে জেল দিয়ে দিবো।
অবৈধ ইটভাটা ও কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে একটি ইটভাটার চুল্লি গুড়িয়ে দেয়াসহ ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া টায়ার গলিয়ে তেল উৎপাদনের ৩টি ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর ২টি কারখানা গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৮ জুলাই গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকার মিরপুরের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাইখ আসহাবুল ইয়ামিনের লাশ উত্তোলনের সম্মতি দেন তার পরিবারের সদস্যরা।
ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাঁকে ওই রাতে দাফন করা হয়। পরে এ হত্যার ঘটনায় মামলা করা হলে লাশ ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের নির্দেশে ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানা পুলিশ মঙ্গলবার কবর থেকে লাশ তুলতে এলেও পরিবারের সদস্যদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ উত্তোলনের কার্যক্রম আপতত স্থগিত রাখেন তারা।
এ অবস্থায় কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করে কবর থেকে লাশ উত্তোলনের কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দেন ঢাকা জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলী হাসান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন জানান, গত বছরের ১৮ জুলাই ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে পুলিশের সাঁজোয়া যানের ওপরে উঠে গুলিতে নিহত হন শহীদ শাইখ আসহাবুল ইয়ামিন।
এ ঘটনায় শহীদ ইয়ামিনের মামা আব্দুল্লাহ আল কাবির বাদী হয়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে এ মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে দাফনের প্রায় সাড়ে ৬ মাস পর কবর থেকে ইয়ামিনের মরদেহ তুলতে গেলে পরিবারের আপত্তি থাকায় শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলী হাসান জানান, শহীদ ইসামিনের মরদেহ উত্তোলনের জন্য বিজ্ঞ আদালত থেকে আমাকে নিয়োগ করা হয়। সেই আলোকে আমরা সাভারে এসেছি এবং কবরস্থানে গিয়েছি। কবরস্থানে যাওয়ার পরে শহীদ ইয়ামিনের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি এবং মামলার বাদীর সঙ্গে কথা বলেছি। তারা কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনে অনিচ্ছুক। উনারা আমার কাছে একটি ফরমাল আবেদন দিয়েছেন। সেখানে উল্লেখ করেছেন, শহীদ ইয়ামিন শহীদী মর্যাদা পেয়েছে বিধায় তারা লাশ উত্তোলনে অনিচ্ছুক। এ বিষয়টি আমরা বিজ্ঞ আদালতকে অবহিত করব এবং পরে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।