স্টাফ রিপোর্টার:সাভার পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ছাত্রনেতা মো. রাশেদুল ইসলাম রাসেল এর পক্ষে এলাকাবাসীর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২২শে ডিসেম্বর) বিকেলে পৌর এলাকার রাজাশনের পিঁয়ারা বাগান এলাকায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর হক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. রাশেদুল ইসলাম রাসেল।
এ উঠান বৈঠকে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ কয়েকশ সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আগামীতে সাভার পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে একজন সৎ ও যোগ্য কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ ক্রীড়া প্রেমী ত্যাগী নেতা মো. রাশেদুল ইসলাম রাসেলকে সমর্থন দিতে সকলে মত প্রকাশ করেন।
স্টাফ রিপোর্টার: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তৎকালীন আ.লীগ সরকারের বিরুদ্ধে পোস্ট করলে ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট র্যাব পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয় ধামরাইয়ের রহমত উল্লাহকে। তুলে নেওয়ার ১৬ মাস পর তিনি বাড়ি ফিরলেন বলে অভিযোগ তার এবং তার পরিবারের।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফজলে রাব্বি সেই রহমত উল্লাহকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
রোববার দুপুরে ধামরাইয়ের নিজ বাড়িতে পৌঁছেন তিনি। ভুক্তভোগী রহমত উল্লাহ ধামরাইয়ের গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের বড় নালাই গ্রামের মৃত আবদুর রবের ছেলে।
পরিবার জানায়, ফেসবুকে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে পোস্ট করেছিলেন রহমত উল্লাহ। ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট রাত ১২টার দিকে র্যাব পরিচয়ে রহমত উল্লাহকে তুলে নেওয়া হয়।
তুলে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে পরিবারকে জানানো হয়, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নেওয়া হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। পরে র্যাবের মানিকগঞ্জ ক্যাম্পে যোগাযোগ করা হলে রহমতকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি তারা জানে না বলে দাবি করেন।
তৎকালীন র্যাব কর্মকর্তারা দাবি করেন, ধামরাইয়ে এ ধরনের কোনো অভিযান চালানো হয়নি। তারা সাভার নবীনগর র্যাব ক্যাম্প বা ঢাকায় র্যাবের হেডকোয়ার্টারে খোঁজ নিতে বলেন। এরপর সাভার নবীনগর র্যাব-৪, ঢাকা র্যাব হেডকোয়ার্টার, ডিবি অফিস, ধামরাই থানায় ঘুরেও রহমত উল্লাহর কোনো খোঁজ মেলেনি।
রহমত উল্লাহর বড় ভাই ওবায়দুল্লা বলেন, শনিবার দুপুরের দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফজলে রাব্বি আমাকে কল করেন। তিনি আমার কাছে আমার ভাই রহমত উল্লাহ সম্পর্কে জানতে চান। আমি তাকে আমার ভাইকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি জানাই। তখন তিনি বলেন, আপনার ভাইকে পাওয়া গেছে, আমাদের কাছে আছেন। আপনারা নিয়ে যান।
ওবায়দুল্লা আরও বলেন, আমরা জেনেছি, আমার ভাইকে ভারতে পাঠানো হয়েছিল। পাসপোর্ট না থাকায় ভারত প্রশাসন ভাইকে ছয় মাসের জেল দেয়। শুক্রবার আমার ভাইসহ মোট ১৪ জনকে ভারতের বিএসএফ একটি নদী পার করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি রেল স্টেশনে ১৪ জন বাংলাদেশি আসেন। সেখান থেকে ১৩ জন তাদের বাড়ি চলে যান। আমার ভাই সেখানেই বসে থাকলে স্থানীয়রা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বললে ভাই পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যান। সেখান থেকে আমাদের জানানো হয়।
রহমত উল্লাহর মা মমতাজ বেগম বলেন, আমার ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার পর অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। র্যাব, ডিবি, থানা পুলিশ সব জায়গায় খুঁজেছি। তারা কোন খোঁজ দেয়নি। এমনকি নিখোঁজ ডায়েরি পর্যন্ত নিতে চায়নি থানা পুলিশ। প্রায় দেড়মাস পর নিখোঁজ ডায়েরি নেয়। তখন কিছু বলার ছিল না। শুধু আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছিলাম। আজ আমার বাবা ফিরে এসেছে, আমি আজ অনেক খুশি।
ভুক্তভোগী রহমত উল্লাহ বলেন, র্যাব পরিচয়ে আমাকে গাড়িতে তোলা হয়। এর পরপরই কালো কাপড় দিয়ে আমার চোখ বেঁধে ফেলা হয়। বাড়ি থেকে বের করার পর কখন কোথায় নিয়ে যায়, কিছুই বলতে পারব না। আমাকে বাংলাদেশে কয়েক মাস রাখার পর ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই এতদিন ছিলাম। আমার তেমন কিছুই মনে পড়ছে না।
গোমস্তাপুর থানার পরিদর্শক (ওসি) খায়রুল বাসার বলেন, গত শনিবার রহমত উল্লাহ রহনপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে আশ্রয় নেন। এরপর রহমত উল্লাহ তার পরিচয় দিয়ে এক বছর চার মাস আগে গুম হওয়ার বিষয়টি জানান। তাকে র্যাব পরিচয়ে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর একদিন তিনি ঘুম থেকে উঠে দেখেন তিনি ভারতের কোনো এক জায়গায় অবস্থান করছেন। বিনা পাসপোর্টে ভারতে যাওয়ায় তাকে ওই দেশের পুলিশ আটক করে জেল হাজতে পাঠায়।
তিনি বলেন, গত শনিবার রহমত উল্লাহসহ ১৪ জনকে একটি নদী পার করে দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ। পরে সে প্রায় সাত কিলোমিটার হেঁটে মানুষদের কাছে জিজ্ঞেস করে রহনপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে এসে আশ্রয় নেন। পরে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বলেন, রহমত উল্লাহকে দেখে অস্বাভাবিক মনে হয়। তিনি কারও সঙ্গে তেমন কোনো কথা বলেননি।
সাভার প্রতিনিধি: প্রয়োজনে জীবন দেব তবুও জমি দেব না, আদালতের বৈষম্য মূলক রায় মানি না মানবো না, এই স্লোগানে ভুক্তভোগী বাসিন্দারা মানববন্ধন করেছে।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে সাভারের বলিয়ারপুর মধুমতি মডেল টাউনের প্রায় চার হাজার বাসিন্দারা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে এই মানববন্ধন করেছে। এ সময় তারা জানান, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ জমি ক্রয় করে এখানে বসবাস করছি, জমির কাগজপত্র সকল কিছু ঠিকঠাক থাকার পরেও আমরা জমির খাজনা পরিশোধ ও মিউটেশন করতে পারতেছি না, আমাদের গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, বেলা ও রাজউকের সমন্নয়ে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আমাদেরকে উৎখাত করার চেষ্টা করছে, আমরা প্রয়োজনে জীবন দেব তবুও আমরা আমাদের এই জমিটি ছাড়তে পারবো না।
এ বিষয়ে হারুনুর রশিদ নামে এক বাসিন্দা জানায়, আমি দীর্ঘ কয়েক বছর দেশের বাইরে কাজ করে অনেক ডলার বাংলাদেশে পাঠিয়েছি, আজকে আমি একজন প্রবাসী আমার বাড়িঘর উৎখাত করা হবে, রোহিঙ্গারা এ দেশে বসবাস করছে, আমরা কি দোষ করলাম, আমাদের একটাই দাবি বৈষম্য মূলক রায় বাতিল করে আমাদের নাগরিক সকল সুবিধা প্রদান করা হোক। অন্যথায় আমরা সকলে আরো কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের শেষ সম্বল রক্ষা করতে জীবন দিয়ে হলেও চেষ্টা করব।
মধুমতি হাউজিং সোসাটির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে পরিবার নিয়ে বসবাস করছি আমাদের সকল সঞ্চয় এখানে রয়েছে, এখন আদালত বৈষম্যমূলক রায়ের মাধ্যমে আমাদের এখান থেকে উৎখাত করার ব্যবস্থা করেছে। তারা বলছে এখানে বাড়িঘর ও স্থাপনা নির্মাণ করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ ভুল, তারা আশেপাশে অন্যান্য হাউজিংয়ের সকল কার্যক্রমের বৈধতা দিলেও আমাদের অবৈধ বলে ঘোষণা করার চেষ্টা করছে,আমরা অবিলম্বে এই রায়ের পরিবর্তন চাই অন্যথায় আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারের আশুলিয়ায় রাস্তা পারাপারের সময় ক্রাউন সিমেন্টের একটি কাভার্ডভ্যানের চাপায় রোকেয়া আক্তার (৩৭) নামে এক নারী নিহত হয়েছে। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আশুলিয়ার নিরিবিলি এলাকায় র্যাব ক্যাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রোকেয়া আক্তার (৩৭) ঢাকার ধামরাইয়ের সুতিপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, সকালে আশুলিয়ার নিরিবিলি এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক পারাপারের সময় ক্রাউন সিমেন্টের একটি কাভার্ড ভ্যান (ঢাকা মেট্টো-উ- ১১-৩১১২) তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিরিবিলি এলাকার কাজী অফিসের সহকারী ফেরদৌস ওরফে ফিরোজ বলেন, সকাল ৯টার দিকে ওই নারী আমাদের কাজী অফিসে আসেন বিয়ের খরচের বিষয়ে আলোচনা করতে। পরে আলোচনা করে বের হয়ে যান। যাওয়ার সময় তিনি বলেছিলেন যে, তিনি ধামরাইয়ের দিকে যাবেন। কিন্তু রাস্তা কেন পার হতে গেলেন আমি জানি না। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে বাহিরে গিয়ে দেখি উনি মারা গেছেন। পরে পুলিশ এসে তার লাশ নিয়ে যায়।
সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের স্বজনরা থানায় এসেছেন। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান। ঘটনার সাথে জড়িত কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক পালিয়ে যায় বলে জানান তিনি।
স্টাফ রিপোর্টার:বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ও তার মেয়েসহ ৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন ছাউনি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান। তার নেতৃত্বে ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সাংসদ সাইফুল ইসলামের কর্মীরা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে দুপুরে পরিদর্শন ছাউনির পাশে জড়ো হচ্ছিলেন। এসময় খবর পেয়ে ডিএমপি (ডিবি) ও আশুলিয়া থানা পুলিশ ৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোহম্মদ মুঈদ জানান, নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার অভিযোগ আছে বলে জানায় পুলিশ।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভার পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রাশেদুল ইসলাম রাসেল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, “মহান বিজয় দিবস আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এই দিনটি আমাদের স্বাধীনতার চেতনায় উদ্দীপ্ত করে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।”
রাসেল আরও বলেন, “বিজয়ের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই সব শহীদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমাদের দায়িত্ব হলো এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা এবং জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়া।”
তিনি আরও যোগ করেন, শোষণ-বঞ্চনামুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়েই ১৯৭১ সালে এদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে আমাদের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা বাধাঁগ্রস্ত হয়েছে। জনগণের মৌলিক ও মানবিক অধিকার খর্ব হয়েছে।’ তাই মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে বিপদমুক্ত করতে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান হয়ে আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। মহান বিজয় দিবসে তিনি সবার প্রতি এই আহ্বান জানান।
সাভার পৌর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ সময় তিনি ছাত্র সমাজকে স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে দেশগঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
রাশেদুল ইসলাম রাসেল এই শুভেচ্ছাবার্তার মাধ্যমে ছাত্র সমাজ তথা যুবসমাজের মাঝে দেশপ্রেম ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্র দলের সাবেক আহ্বায়ক ও সভাপতি পদপ্রার্থী মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, “মহান বিজয় দিবস আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এই দিনটি আমাদের স্বাধীনতার চেতনায় উদ্দীপ্ত করে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।”
তমিজ উদ্দিন আরও বলেন, “বিজয়ের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই সব শহীদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমাদের দায়িত্ব হলো এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা এবং জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়া।”
তিনি বলেন, শোষণ-বঞ্চনামুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়েই ১৯৭১-এ এদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে আমাদের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। জনগণের মৌলিক ও মানবিক অধিকার খর্ব হয়েছে।’ তাই মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে বিপদমুক্ত করতে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান হয়ে আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। মহান বিজয় দিবসে তিনি সবার প্রতি প্রতি এই আহ্বান জানান।
ঢাকা জেলা ছাত্র দলের পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এ সময় তিনি ছাত্র সমাজকে স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে দেশগঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিনের এই শুভেচ্ছাবার্তা ছাত্র সমাজের মাঝে দেশপ্রেম ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষসহ ৬৪ জন পথচারী আহতের খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সাভার পৌর এলাকার রেডিও কলোনি, সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড, আনন্দপুর ও গেণ্ডা মহল্লা থেকে আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোসাম্মত কামরুন্নাহার।
তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আহতদের মধ্যে সবার নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
কুকুরের কামড়ে আহত শহিদুল ইসলাম নিউস্টার২৪ কে জানান, তিনি আনন্দপুর ভার্কের সামনে গিয়েছিলেন। হঠাৎ করে একটি কুকুর তার হাতে কামড় দিয়ে ধরে রাখে। পরে কয়েকজন পথচারী কুকুরটিকে আঘাত করলে পালিয়ে যায়।
পরে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
আরেক আহত ইয়াসিন হোসেন জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে রেডিও কলোনি বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে একটি কুকুর তার ওপর আক্রমণ করে। এরপর কোমরে কামড় দেয়।
তিনি বলেন, “আমাকে কামড় দেওয়ার পর ওই এলাকায় আরও অনেককেই কুকুরটি কামড়িয়ে আহত করেছে।”
এ বিষয় চিকিৎসক কামরুন্নাহার জানান, রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আহত ৬৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন বেশি জখম হয়েছেন।
প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁও এলাকায় এ খেলার আয়োজন করা হয়। দেওগাঁও যুব সংঘের আয়োজনে এ মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলাটির আয়োজন করা হয়।
খেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাভার থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ শাহীন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন একাত্তর টেলিভিশনের ফটো সাংবাদিক মো. উজ্জ্বল হোসেন, রেফারির দায়িত্বে ছিলেন রফিকুল ইসলাম।
এসময় অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান,সাভার থানা সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম ঝলক, সাভার থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রবিন হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নেয় দেওগাঁও অগ্নিবীনা স্পোর্টিং ক্লাব ও অঙ্গন একাদশ। খেলায় দেওগাঁও অগ্নিবীনা স্পোর্টিং ক্লাব ১-০ গোলে বিজয়ী হয়।
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার সাভারে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদেরর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ডিসেম্বর) বিকেলে সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড জামসিং এলাকায় শুকুর জান স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে এ আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বিশিষ্ট সমাজসেবক ইয়াজউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সাভার পৌরসভার মেয়র প্রার্থী লায়ন মোঃ খোরশেদ আলম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,মহান আল্লাহ্ তাআলার অশেষ রহমতে ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থান সফল হয়েছে। আন্দোলনে শহীদদের মাগফেরাত কামনায় আমরা সকলে দোয়া করি। তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি পৌরসভা অবহেলিত অথচ ১৯৯১ সালের ১৭ই আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সাভার কলেজের মাঠে সাভার পৌরসভা ঘোষণা দিয়ে গেছেন আমিও সেই কলেজ মাঠে সেদিন ছিলাম। এত বছর হয়ে গেল পৌরসভার কোন উন্নতি হয় নাই। তারা পারতো আপনাদের নিয়ে সুন্দর সাভার তৈরি করতে; কিন্তু তা না করে নিজের ব্যক্তি স্বার্থটাই প্রাধান্য দিছে। ইচ্ছামতো অটো লাইসেন্স দিছে এখন ঘর থেকে বেরোলে অটোর জ্যামে আটকা পড়তে হয়। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি একটি আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। কোন চাঁদাবাজ থাকবে না, সন্ত্রাস থাকবে না, ইভটিজিং থাকবে না যাতে একজন ব্যবসায়ী নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারে কোন মা বোন রাস্তায় বেরোলে নির্বিঘ্নে রাত বারোটার সময় বাড়িতে গেলেও কোন ইভটিজিং হবে না। পৌরসভার প্রতিটা নাগরিক যাতে শতভাগ নাগরিক সুবিধা পায় আমি সে ব্যবস্থায়ী করব।
প্রতিটা ওয়ার্ডে উন্নয়ন কমিটি থাকবে ছুটির দিনে তারা এলাকায় ঘুরে যেখানে ত্রুটি দেখবে উন্নয়ন কমিটির কাছে সে রিপোর্ট দিলে সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করা হবে ইনশাআল্লাহ।আর এ কমিটির সদস্য হবেন আপনারাই।পৌরসভায় কোন মাদক থাকবে না, আমি আগেও বলেছিলাম যদি কোন পরিবারের মাদকসেবীর চিকিৎসা করার সামর্থ্য না থাকে প্রয়োজনে আমি তাকে আমার নিজ খরচায় তাকে সুস্থ হওয়ার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা করাব।
আপনারা দলমত নির্বিশেষে যে ভাবে সাড়া দিয়েছেন। আপনাদের সহযোগিতায় আমি পৌর মেয়র নির্বাচিত হব। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আদর্শে একটি স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবো বলেও তিনি জানান।
এসময় অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হাজী মো. আব্দুল গফুর বাবুল, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ আলমগীর হোসেন মোল্লা,সাবেক শিক্ষা অফিসার দেওয়ান আক্কাস আলী, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. ইমাম হোসেন, ছাত্রদল,যুবদল সহ এলাকাবাসী।