Home Blog Page 7

সাভারে গৃহে ঢুকে যুবককে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

0

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার সাভারে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার জন্ম দিয়েছে অজ্ঞাত হামলাকারীর ভয়াবহ হামলা। ঘরে ঢুকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে মোঃ হাসেম মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তির ওপর। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগীর ছোট ভাই মোঃ তাওহিদুল ইসলাম (৩৫) এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সকালে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোর ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে সাভারের পশ্চিম রাজাশনের মন্ডলপাড়ায় নিজ বাড়িতে মোঃ হাসেম মিয়ার ঘরে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা প্রবেশ করে। পরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত ও আহত হন।

পরে পাশের বাড়ির এক আত্মীয় হাসেম মিয়ার মা রোকেয়া বেগম (৬৮) ও তার ছোট ভাই তাওহিদুল ইসলামকে জানালে, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসেম মিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে সকাল ৭টার দিকে এনাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।

বাদী তাওহিদুল ইসলাম বলেন, “আমার বড় ভাই এখনো জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আমরা বুঝতেই পারছি না কারা এমন নির্মম কাজ করল। আমাদের পরিবার এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। আমরা চাই, প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

এঘটনায় হাসেম মিয়ার চাচা ওলি মিয়া বলেন, সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে গরুকে খাবার দিতে গিয়ে গোয়ালঘর তালাবদ্ধ দেখে আমার ভাতিজার রুমে গিয়ে দেখি দরজা খোলা। পরে রুমের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে আমার ভাতিজা। এ অবস্থা দেখে আমি দ্রুত অটোরিক্সা এনে তাকে নিয়ে হসপিটালে ভর্তি করি।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল মিয়া জানান, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দ্রুতই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানায় এবং এ ঘটনায় এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মুক্ত গণমাধ্যম মঞ্চের বাণী

0

স্টাফ রিপোর্টার: আজ ৫ আগস্ট, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। বৈষম্যপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদি শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলে ২০০৪ সালের এই দিনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছিল। এ উপলক্ষে দেশের মুক্তিকামী জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মুক্ত গণমাধ্যম মঞ্চ এর সভাপতি সৈয়দ শিমুল পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম এবং মুখপাত্র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মজুমদার।

সংগঠনের অফিস বিভাগের পরিচালক এস এম নাসিম স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সভাপতি সৈয়দ শিমুল পারভেজ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল যুগান্তকারী এক বিপ্লব, যেখানে ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ তাদের রক্ত-ঘামে দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিয়েছিল। আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি সেইসব শহীদদের, যারা শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্নে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “এই দিবস কেবল অতীত স্মরণের দিন নয়—এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য দিকনির্দেশনা বহন করে। দেশে যেন আর কখনও ফ্যাসিবাদ, দুঃশাসন, গুম, খুন ও ভোটাধিকার হরণের মতো অন্যায় না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বলেন, “আজকের দিনে আমরা আশাবাদী, একটি ন্যায়ের, অংশগ্রহণমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার পথেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও বাকস্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে—যে জনগণের শক্তিই হচ্ছে পরিবর্তনের মূল হাতিয়ার।”

এছাড়া, মুখপাত্র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মজুমদার দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাভারে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের বৃত্তি বাতিলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

0

স্টাফ রিপোর্টার:প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিপত্রে ২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাতিলের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদে সাভারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০.৩০ টায় ফেডারেশন অব কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন (ফোকা) এর আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জিতুর নেতৃত্বে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
এ সময় সাভারের ৩০টি কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন এর কয়েক হাজার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এই মানববন্ধনে অংশ নেন, যা বেসরকারি শিক্ষা খাতের সবচেয়ে বড় প্রতিবাদ কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মানববন্ধন থেকে ফোকা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জিতু বলেন, “এই বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর মনোবল ভেঙে দেবে এবং সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করবে, যা জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”
মানববন্ধনে সাভার-আশুলিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, “সরকারের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার সাম্য নীতির পরিপন্থী। অতিদ্রুত কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।”
এ সময় বক্তব্য রাখেন ফোকার উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম, নুরুজ্জামান তালুকদার, লুৎফর রহমান মোল্লা, লিংকন মাহমুদ, তাজউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ, ভাইস-চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান খাঁন, মনির হোসেনসহ আরও অনেকে।
মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট বার্তা দেন, “শিক্ষা সবার অধিকার। বৃত্তি পরীক্ষায় সকল শিক্ষার্থীকে সমান সুযোগ দিতে হবে।” তারা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাভারের রাজপথে তাজ খান নাঈমের সংগ্রাম

0

স্টাফ রিপোর্টার: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ধীরে ধীরে রূপ নেয় স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনে। সাধারণ ছাত্রদের পাশাপাশি এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরাও। সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনের সামনের সারিতে নেতৃত্ব দেন স্থানীয় ছাত্রদল নেতা তাজ খান নাঈম।

আন্দোলনের শুরু থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নানা হামলা ও মামলার শিকার হয়েও পিছু হটেননি তিনি। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও পুলিশের গুলির মুখে থেকেও রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যান। আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা পুলিশের সহযোগিতায় তার বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। একই সময়ে সাভার থানায় তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।

এ পরিস্থিতিতে আত্মগোপনে থেকে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের দিকনির্দেশনায় আন্দোলন চালিয়ে যান তাজ খান নাঈম।

তাজ খান নাঈম বলেন, “৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যদি স্বৈরাচার সরকারের পতন না হতো, তবে আমাকে হয় ক্রসফায়ারে হত্যা করা হতো, নয়তো সারা জীবন জেল খাটতে হতো। তাই আমি প্রত্যাশা করি, ভবিষ্যতে আর যেন এ ধরনের স্বৈরাচারী শাসন দেশে প্রতিষ্ঠিত না হয়।”

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, তাজ খান নাঈমের সাহসী নেতৃত্ব সাভারের রাজপথে আন্দোলনকে বেগবান করে এবং সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্বৈরাচার বিরোধী বৃহত্তর গণআন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আশুলিয়ায় শহীদ স্মরণে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

0

স্টাফ রিপোর্টার: জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।

রবিবার বিকেলে আশুলিয়ার কুটুরিয়া এলাকার ফজলুর রহমান ইসলামীয়া মাদ্রাসায় আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে শহীদদের স্মরণ করেন এবং চলমান আন্দোলনে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জনি দেওয়ান, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল হক সৌরভ, আশুলিয়া থানা ছাত্রদল নেতা সানোয়ার হোসাইন, আলহাজ্ব মাদবর,ইসমাইল হাবিব,মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন, এস আই আলামিন,ইমন, রয়মান মোস্তফা, হৃদয় মাদবর ,শাহরিয়ার ঈমান, মারুফ হোসেন,মাসুদ রানা ও পাথালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম শাওন।

আয়োজকরা বলেন, “শহীদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না। আমরা তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্রদল সবসময় রাজপথে থাকবে।”
মিলাদ শেষে আহতদের সুস্থতা ও দেশের শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।

“জুলাই বিপ্লব কারো একক সম্পত্তি নয়, এটা সার্বজনীন”-ছাত্রদলের স্মরণ সভায় মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন

0

স্টাফ রিপোর্টার:“জুলাই বিপ্লব কারো একক সম্পত্তি নয়, এটা সার্বজনীন”। ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কারণেই দেশ থেকে স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে পালাতে বাধ্য করা হয়েছে। যার ফলে দেশের মানুষ এখন স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন।

বুধবার বিকেলে সাভার থানা রোডের মামুন কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় তিনি এই কথা বলেন। ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে এ সভার আয়োজন করে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল।

তমিজ উদ্দিন আরও বলেন, “জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ছাত্র জনতার পাশাপাশি ছাত্রদল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। কিন্তু একটি গুপ্ত সংগঠন সেই ইতিহাস অস্বীকার করে, এবং তারা জুলাই বিপ্লবকে নিজেদের পৈতৃক সম্পদ মনে করে— এটা দুঃখজনক ও বিভ্রান্তিকর।”

তিনি আরও বলেন, “সাভারে জুলাই-আগষ্ট আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ও যারা আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের পাশে ছাত্রদল সবসময় ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা এ আন্দোলনের শহীদদের রক্তের ঋণ কখনো ভুলবো না।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল ঢাকা জেলা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন সুমন, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জরুল হক সৌরভসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং সে সময় আহত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। তাঁরা আন্দোলনের চেতনা ধরে রাখার আহ্বান জানান এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরে শহীদ পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান তুলে দেন ছাত্রদল নেতাকর্মীবৃন্দ।

সরকার মব জাষ্টিস কোনভাবেই বরদাস্ত করেনা- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

0

স্টাফ রিপোর্টার: বর্তমান সরকার বারবার তার অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সরকার মব জাষ্টিস কোনভাবেই বরদাস্ত করে না। যেখানেই মব জাষ্টিস হচ্ছে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পরিবেশবাদী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
শনিবার সকালে সাভার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একদিনে এক লাখ গাছের চারা রোপণ কর্মসুচির উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় পরিবেশ দুষণ রোধে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, মেগা প্রকল্প ছাড়াও ছোট প্রকল্প দিয়েও মানুষের উন্নয়ন সম্ভব। এছাড়া পরিবেশদূষণ রোধে নিজেদের সচেতন হতে হবে। তিনি আরও বলেন, যতক্ষন পর্যন্ত মানসিকতায় প্রাণ প্রকৃতিকে গুরত্বপূর্ন স্থানে না রাখবো ততক্ষন পর্যন্ত পরিবেশের উন্নয়ন হবে না।

বায়ু দূষণ রোধে চীনের উদাহরন তুলে ধরে উপদেষ্টা সাংবাদিকদেরকে জানান, আমরা কাজ শুরু করছি আশা করি দ্রুত সময়ে সকলের সহযোগীতায় বাংলাদেশের পরিবেশের উন্নয়ন সম্ভব।

ঢাকা জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, পরিবেশ যদি না বাঁচে আপনি যত বড় সম্পদশালী হোন না কেন বেঁচে থাকতে পারবেন না। এটার প্রভাব পড়বে আমাদের উপর। দখল দূষণের বিষয়ে তিনি বলেন, সাভারের স্থানীয় লোকেরাই নদী দখল এবং দূষণের সাথে জড়িত। সবাই মিলে উদ্যোগ নিয়ে পরিবেশ দখল এবং দূষণের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।

এর আগে ঢাকা জেলার পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নে সহায়তার লক্ষ্যে বেটার ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচি এর শুভ উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পরিবেশবাদী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাভার পৌরসভার প্রশাসক আবুবকর সরকারের উদ্যোগে অনুষ্ঠানে সাভার উপজেলায় রোপনের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারন জনগনের মাঝে এক লক্ষ গাছের চারা বিতরন করা হয়।

সবশেষে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে একটি কাঁঠাল গাছের চারা রোপণ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পরিবেশবাদী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী একটি নীমের চারা রোপণ করেন।

সাভারে একদিনে ১ লাখ গাছের চারা রোপণ ইউএনও’র

0

স্টাফ রিপোর্টার:
‘সবুজে বাঁচুক সাভার, নীল আকাশে উড়ুক স্বপ্ন হাজার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাভার উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক একদিনে ১ লাখ গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আগামীকাল শনিবার (১২ জুলাই) দিনব্যাপী ব্যতিক্রমী এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট পরিবেশবাদী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ।

এদিন সাভারের একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক-মহাসড়ক, খাসজমি এবং গ্রামীণ পরিবারভিত্তিক জমিতে এই গাছ রোপণ করা হবে। এর মধ্যে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশের ২৬ কিলোমিটারের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি গাছ লাগানো হবে আশুলিয়া, তেঁতুলঝোড়া, শিমুলিয়া ও ধামসোনা ইউনিয়নে। প্রতিটি ইউনিয়নে থাকবে আলাদা করে ভ্রাম্যমাণ পরিবেশ টিম, যারা গাছ রোপণ, পরিচর্যা এবং পরিবেশ সচেতনতায় কাজ করবে।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাভার পৌরসভার প্রশাসক আবুবকর সরকারের উদ্যোগে শিল্পনগরী সাভারকে টেকসই সবুজ শহরে রূপান্তরের এই প্রয়াসে আমরা জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘জুন-আগস্ট’ সময়কে ‘সবুজ মাস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই সময়ে চলবে বৃক্ষরোপণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সচেতনতা, ওষুধি গাছ সংরক্ষণ ও সবুজ ক্যাম্পেইন।

পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলন সাভার শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক বলেন, সাভারে বর্তমানে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের বসবাস। কলকারখানার বর্জ্যে নদী এবং পরিবেশ দূষণ, নির্বিচারে গাছ কাটা ও বায়ুদূষণের কারণে এ অঞ্চলটি পরিবেশগত ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের এই ধরনের উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুবকর সরকার বলেন, এই মহৎ কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছিলাম আমি, তবে বাস্তবায়নের পথে যে আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক স্যারদের পক্ষ থেকে তা সত্যিই অনন্য।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ এবং প্রতিবেশসহ জীব বৈচিত্র রক্ষার লক্ষে সকল অবৈধ ইটভাটা ও দূষণকারী কারখানার বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি ভবন ও সড়কের ধারে গাছ লাগানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। সাভারের প্রকৃতিক সৌন্দর্য এবং পরিবেশের ভারসাম্য, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পকারখানার কারণে বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে উত্তরণে রাষ্ট্রের বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন। তবে উপজেলা প্রশাসনের এ বৃক্ষরোপণ সবুজয়ান এবং পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।

সাভার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে- আসুন, সবাই মিলে গাছ লাগাই, পরিবেশ বাঁচাই। সাভার হোক একটি বাসযোগ্য, সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যতের প্রতীক।

সাভারে উচ্ছেদ নোটিশ দিতে গিয়ে ভূমি কর্মকর্তাদের ওপর হামলা

0

স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে সরকারি খাস জমি উদ্ধারে উচ্ছেদের নোটিশ দিতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সাভারের রাজ ফুলবাড়িয়া তহশিলের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।
বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে সাভারের শ্যামলাসি কলাতিয়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল সরকারি খাসজমি জবরদখল করে ভোগদখল করে আসছিল। জমি উচ্ছেদে নোটিশ দিতে সাভার ভূমি অফিসের সাত সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে হঠাৎ করে সংঘবদ্ধভাবে ‘মব’ তৈরি করে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জাহাঙ্গীর আলমকে দুর্বৃত্তরা ধরে ফেলে। পরে ভূমি কর্মকর্তার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত এবং বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিরাজুর রেহান পাভেল জানান, আহত ওই ব্যক্তিকে জরুরি চিকিৎসা শেষে নিউরো আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন সহকর্মীরা।
এদিকে, সাভার মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চললেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সাভার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জহিরুল ইসলাম‌ বলেন, সরকারি কাজে বাধাদান ও হামলার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী টুটুল গ্রেপ্তার স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার সাভারে মোহাম্মদ টুটুল নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে আমিনবাজার সালেহপুর ব্রিজের পশ্চিম পাশে চেক পোস্ট বসিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত টুটুল (৩৪) ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়নের মেলারটেক এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে। সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া এ তথ্য জানান। জুয়েল মিয়া জানান, রবিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো: ফয়সাল আলম এর নেতৃত্বে একটি টহল টিম বিশেষ চেক পোস্ট বসিয়ে রিক্সা যোগে মহাসড়কের বিপরীত দিক থেকে আসা রিক্সার গতিরোধ করে রিক্সায় থাকা টুটুলের দেহ তল্লাশী করে। এ সময় তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, ৭ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১ রাউন্ড ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা অস্ত্র সম্পর্কে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তারকৃত টুটুল দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র-গুলি নিজের কাছে রেখে সাভারের আমিনবাজার ও কাউন্দিয়া এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তার আরও দুই সহযোগীর তথ্য পাওয়া গেছে, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ টুটুলসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের পর টুটুলকে আদালতে সোপর্দ করে বাকি দুইজনকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার সাভারে মোহাম্মদ টুটুল নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে আমিনবাজার সালেহপুর ব্রিজের পশ্চিম পাশে চেক পোস্ট বসিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত টুটুল (৩৪) ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়নের মেলারটেক এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে।

সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া এ তথ্য জানান।

জুয়েল মিয়া জানান, রবিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো: ফয়সাল আলম এর নেতৃত্বে একটি টহল টিম বিশেষ চেক পোস্ট বসিয়ে রিক্সা যোগে মহাসড়কের বিপরীত দিক থেকে আসা রিক্সার গতিরোধ করে রিক্সায় থাকা টুটুলের দেহ তল্লাশী করে। এ সময় তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, ৭ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১ রাউন্ড ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্র সম্পর্কে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তারকৃত টুটুল দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র-গুলি নিজের কাছে রেখে সাভারের আমিনবাজার ও কাউন্দিয়া এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তার আরও দুই সহযোগীর তথ্য পাওয়া গেছে, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ টুটুলসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের পর টুটুলকে আদালতে সোপর্দ করে বাকি দুইজনকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।