Home Blog Page 16

মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের পর আতঙ্কে এলাকাবাসী

0

স্টাফ রিপোর্টার:মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী অভিযোগ তুলে এক পিতাপুত্রের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছিল আশুলিয়ার খেজুরটেক এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু এরপরেও আইন শৃংখলা বাহিনী কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় আতংকিত বোধ করছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার (১১এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ টায় আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের খেজুরটেক বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

এ সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় প্রায় ৩ শতাধিক বাসিন্দা ও সন্ত্রাসী পরিবারের হাতে নির্যাতিত ভুক্তভোগীরা অংশ নেন।
সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী জানান, খেজুরটেক এলাকার কোরবান আলীর ছেলে মজিবর রহমান ও তাঁর ছেলে সামিউল আলম সৈকত দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা আওয়ামী লীগের আমল থেকে মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আশুলিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। শফিকুল ইসলাম বলেন, মজিবর ও তার ছেলে সৈকতের অনৈতিক কর্মকান্ডে আমরা অতিষ্ঠ। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। গত ৭ এপ্রিল ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বিচার ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করি। এরপর থেকে বিভিন্ন লোক মারফত আমাকে হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে। সেদিন মানববন্ধনে যারা অংশ নিয়েছিলেন তারা সবাই এখন আতংকিত। তারা ঘর থেকে বের হতে ভয় পায়।

ঈদের কয়েকদিন আগেও স্থানীয় কয়েকজনকে জোর করে মাদক ব্যবসা করাতে চেয়েছিল মজিবরের ছেলে সৈকত। তারা রাজি না হওয়ায় তাদের মারধর করে তাদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে তারপর তাদের ছেড়ে দেয়। তারা ভয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। আমরা আইন শৃংখলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। এখনও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এলাকার মানুষ সন্ধ্যার পর বের হতে ভয় পায়। তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে মিথ্যা মামলা দেয়ার ভয় দেখায়।

ভুক্তভোগী ইকরাম হোসেন বলেন, তিন মাস আগে মুজিবরের ছেলে সৈকত আমাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গেছে। ৪০০/৫০০ পিস বাবা (ইয়াবা) আমার সামনে এনে আমাকে বলে এগুলো তোর বেঁচতে হবে। আমি রাজি হই নাই দেখে আমাকে মারধর করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে আমার বাসায় গিয়ে আমার রুমে তালা লাগিয়ে দেয়। মোবাইলে আমাকে হুমকি দেয় এখনো। থানায় আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এখনও বিচার পাইনাই। পুলিশ আসছিল তাদের টাকা দিয়ে পাঠায় দিয়েছে। সৈকতের কাছে রামদা, পিস্তল, চাইনিজ কুড়াল সবই আছে। আমরা ৩০ বছর ধরে এই এলাকায় বসবাস করি, শুধু ওর ভয়ে গত ২ মাস ধরে অন্য এলাকায় বাসা নিয়ে বসবাস করতেছি। আমার কাছ থেকে জোর করে টাকাও নিয়েছে।

ভুক্তভোগী মুকুল হোসেন বলেন, আমি জামগড়া একটি দোকানে চাকরি করি। এই ঈদের ৫ দিন আগে সৈকত তার অফিসে নিয়ে আমার হাত, পা, চোখ বেঁধে আমাকে বলে তার ইয়াবা বিক্রি করতে হবে। আমি বলছি আমি পারবোনা। এরজন্য আমাকে মারছে, আমাকে ইয়াবা সহ প্রশাসনের হাতে ধরায় দেয়ার ভয় দেখাইছে। পরে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করলে আমার আত্মীয় স্বজন ১০ হাজার টাকা দিয়ে আমাকে ছাড়ায় নিয়ে যায়। আমি ভয়ে কোন মামলা করিনাই, থানায় যাইনাই।

আরেক ভুক্তভোগী কবির বলেন, গত ২৬ রমজানের দিন সৈকত তার লোকজন দিয়ে তার অফিসের সামনে আমাকে নিয়ে আসে কোন কারণ ছাড়া। সেখানে সৈকত ও তার সহযোগী তোফাজ্জল, রাব্বি, মনির সহ কয়েকজন উপস্থিত ছিল। আমাকে মারধর শুরু করলে আমি জিজ্ঞেস করি আমি কি করেছি। আমি জানতে চাই কেন আমার ওপর টর্চার করা হচ্ছে। পরে আমাকে পুলিশের কাছে ধরায় দেয়ার ভয় দেখায়। বিনা কারণে আমাদের মত সাধারণ মানুষকে এমন ভাবে টর্চার করায় আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও এর বিচার চাই।

আশুলিয়ায় সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

0

স্টাফ রিপোর্টার:আশুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে চলমান দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে আশুলিয়ার ছাত্র-জনতা।
বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আশুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে তারা।
এসময় উপস্থিত ছাত্র-জনতা অভিযোগ করে বলেন, আশুলিয়ার সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ খায়রুল বাশার ভূঁইয়া তার অফিসের কর্মকর্তা ও দালালদের মাধ‍্যমে ভূমি রেজিস্ট্রেশন করতে আসা গ্রাহকদের নানাভাবে হয়রানির মাধ‍্যমে ঘুষ গ্রহন করে আসছিলেন। এই ঘুষ দূর্নীতির বিরুদ্ধে স্থানীয় ছাত্র-জনতা একত্রিত হয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন।
তারা সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব‍্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান। অন্যথায় দূর্নীতিবাজ সাব-রেজিস্ট্রারকে আশুলিয়ায় কোন কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দেন তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির ঢাকা জেলা উত্তরের প্রতিনিধি মো. তুহিন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিটি ইউনিভার্সিটির আহবায়ক সৈয়দ ইমন ও সদস্য সচিব মো. শান্তসহ স্থানীয় ছাত্র-জনতা।

সাভারে মাদক ব্যবসায়ী পিতা-পুত্রের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

0

স্টাফ রিপোর্টার:সাভারের পাথালিয়া ইউনিয়নে মাদক ব্যবসায়ী মজিবর রহমান ও তার পুত্র শৈকতের দীর্ঘদিনের অত্যাচার ও সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে সোমবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ জনতা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বেলতলা এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার কয়েক’শ মানুষ অংশ নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাথালিয়া ইউনিয়নের খেজুরটেক এলাকার মজিবর রহমান ও তার ছেলে সামিউল আলম শৈকত এলাকায় মাদক ব্যবসার পাশাপাশি চাঁদাবাজি এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানির অভিযোগে কুখ্যাতি অর্জন করে। তাদের বিরুদ্ধে বহুবার পুলিশে অভিযোগ করা হলেও অজানা কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে মানববন্ধন থেকে দাবি করেন বাসিন্দারা।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বলেন, “মাদকের থাবায় আমাদের সন্তানরা ধ্বংস হচ্ছে, আর কতকাল চোখ বন্ধ করে থাকব?”। এসময় মজিবর ও তার পুত্রকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
“মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সাভারবাসীর রুখে দাঁড়ানো এই সংগ্রামে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছে সাধারণ মানুষ।”

এ বিষয়ে আশুলিয়ায় থানার ওসি ( তদন্ত) কামাল হোসেন বলেন আলোচিত পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক শফিকুল ইসলাম, নূর হোসেন, মোবারক হোসেন রুমি, আব্দুর রহিম, কামরুল হাসানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সাভারে এক ব্যবসায়ীর উপর অতর্কিত হামলা,গাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট,থানায় মামলা

0

স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে এক ব্যবসায়ী উপর অতর্কিত হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (২রা এপ্রিল) রাতে বিরুলিয়া খেয়াঘাট এলাকায় ফাহাদ আহমেদ নামের এক ইট ভাটার ব্যবসায়ীর উপর এ হামলা চালায় বিরুলিয়ার মামুন,বিল্লালসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী ফাহাদ আহমেদ সহ আরো ৪ জন আহত হন। এসময় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পর ভুক্তভোগী ফাহাদ আহমেদ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৬।

অভিযুক্তরা হলেন বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাবর এলাকার মৃত কফিলের ছেলে মোহাম্মদ মামুন (৩০), এনায়েত উল্লাহর ছেলে মোঃ বিল্লাল(২৭), আলি আশরাফ(২৮),জসীম উদ্দীন(২০),দেলোয়ার হোসেন (২৪) ৬.মেহেদী২৪) ও ইউসুফ মোল্লার ছেলে কাউসার (৩০) মোল্লা সহ অজ্ঞাত আরও ২৫/৩০ জন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী
ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে আশুলিয়ার রুস্তমপুর এলাকা থেকে বিরুলিয়া রোড দিয়ে আমিনবাজার যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার বন্ধু সালমান (২৯), মোঃ জীবন (৩৩) ও সজিব (৩০) সহ প্রাইভেটকার গাড়ি নং-ঢাকা মেট্রো-গ-১৫-৬২৬৮ যোগে রওনা করে। একই তারিখ রাত ৮ টার দিকে বিরুলিয়া খেয়াঘাটের একটি মুদি দোকানের সামনে পৌছানোমাত্রই অভিযুক্তরা ৫/৬ টি মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের হাতে থাকা পিস্তল সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র রামদা, চাপাতি, ছুরি, সুইচ গিয়ার চাকু, এসএস শাইপ সহ তাদের গতিরোধ করে হামলা চালিয়ে সবাইকে আহত করে। ভোক্তভোগীর ব্যবসায়িক কাজের নগত ৫,৩০,০০০/-টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। গাড়ি ভাংচুর করে প্রায় ১,০০,০০০/-টাকার ক্ষতিসাধন করে।

ভুক্তভোগী ফাহাদ আহমেদ জানান, আমি ব্যাবসায়ী মানুষ। ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে কর্মচারীদের টাকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমার বন্ধুদের সাথে নিয়ে প্রাইভেটকার গাড়ি নং-ঢাকা মেট্রো-গ-১৫-৬২৬৮ যোগে বাড়ি থেকে বের হই। রাত ৮ টার দিকে বিরুলিয়ার খেয়াঘাট এলাকায় যাওয়ামাত্রই অভিযুক্তরা আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমি সহ আমার সাথে থাকা তিন বন্ধু আহত হন। তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের গাড়ি ভাংচুর করে আমার কাছে থাকা ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনার সাথে আরও যারা জড়িত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জুয়েল মিয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। ১ জন আটক আছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ সাভারের বিরুলিয়া ব্রীজ ফুড কোর্ট মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে চাঁদা দাবি, ভাংচুর ও মারপিটের ঘটনায় উক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে ওইদিন আরও একটি মামলা হয়,যার নং-০৭।

সাভারে ফুড কোর্ট মার্কেটে চাঁদা দাবি ও ভাংচুরের ঘটনায় গ্রেফতার-১

0

সাভারে ফুড কোর্ট মার্কেটে চাঁদা দাবি ও ভাংচুরের ঘটনায় গ্রেফতার-১

স্টাফ রিপোর্টার: সাভারের বিরুলিয়া ব্রীজ ফুড কোর্ট মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে চাঁদা দাবি, ভাংচুর ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার এসআই আব্দুল ওহাব।

গত বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনার পর মার্কেট ও দোকান মালিকরা বিষয়টি যৌথবাহিনীকে জানান। পরে যৌথবাহিনী ও সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিল্লাল নামের একজনকে গ্রেফতার করে। পরে মার্কেট মালিক মামুন নামের একজন বাদী হয়ে ৭জনসহ আরও ২৫/৩০ জনের নাম উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার রাতে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৭।

অভিযুক্তরা হলেন বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাবর এলাকার মৃত কফিলের ছেলে মোহাম্মদ মামুন (৩০), এনায়েত উল্লাহর ছেলে মোঃ বিল্লাল(২৭), আলি আশরাফ(২৮),জসীম উদ্দীন(২০),দেলোয়ার হোসেন (২৪) ৬.মেহেদী২৪) ও ইউসুফ মোল্লার ছেলে কাউসার (৩০) মোল্লা সহ অজ্ঞাত আরো ২৫/৩০ জন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার ২রা এপ্রিল রাত ৯ টার দিকে অভিযুক্তরা সহ আরও প্রায় ২৫/৩০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মার্কেটের ৬০টি দোকানে ৬০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় সকল রেস্টুরেন্টের খাবার ফেলে দেয়। চেয়ার টেবিল ভাংচুর করে এবং সব দোকান বন্ধ করে দেয়। এতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কেট মালিক মোঃ মামুন বলেন, বিরুলিয়া ব্রীজ ফুড কোর্ট মার্কেটটি আমরা ৫ জন মিলে তৈরি করি। বিগত কয়েক দিন যাবত বিরুলিয়ার বিল্লাল ও মোহাম্মদ মামুনের ইন্ধনে তাদের লোকজন মার্কেটে এসে প্রতিনিয়তই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। গত বুধবার মামুন আমাকে ফোন দিয়ে বলে মার্কেটে থাকার জন্য। বেশ কিছু সময় অপেক্ষার পর আমি আমার ব্যক্তিগত কাজে চলে যাই। পরে আমি জানতে পারি মোহাম্মদ মামুন ও বিল্লাল ২৫/৩০ জন লোক মার্কেটের দোকান গুলোতে চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না পেয়ে ভাংচুর চালায় ও দোকান বন্ধ করে দেয়। এতে করে মার্কেটের প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।পরে আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানালে তারা বিল্লালকে গ্রেফতার করে। তিনি আরো বলেন, বিল্লাল বর্তমানে যুবদল করে। আগে মামুন যুবলীগ করতো। মামুনের যুবলীগের ব্যানার বিরুলিয়া ব্রীজের পাশে টানানো ছিলো। সে আবার এখন নাগরিক কমিটির পরিচয় দেয়। সাভার নাগরিক কমিটির নাইম ভাই বলছে মামুন নাগরিক কমিটির কেউ না। আমি এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি। যাতে করে এই গরীব দোকানিরা শান্তি মত ব্যবসা করতে পারে।

রেস্টুরেন্টের মালিক ও কর্মচারীরা জানান, গতকাল রাতে ২০/৩০ জন লোক তাদের রেস্টুরেন্টে এসে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে দোকান বন্ধ করতে বলে। এক পর্যায়ে তারা রেস্টুরেন্টের খাবার ও জিনিসপত্র ফেলে দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর পূর্বক দোকান বন্ধ করে দেয়।

বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন মেম্বার বলেন, ঘটনার এক ঘন্টা পর আমি জানতে পারি এবং সেখানে যাই। দুই পক্ষকে মিলানোর চেষ্টা করি। মিমাংসার শেষ পর্যায়ে দুই পক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। তাই আর মিমাংসা হয়নি। পরে আমি চলে আসি। বিল্লাল এই এলাকার ছেলে, সে বিএনপি করে, তার বাবা আওয়ামী লীগ করতো। আর মামুন আওয়ামী লীগ করতো। এই মামুনের সাথে মিল করে তারা এ ঘটনা ঘটায়।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জুয়েল মিয়া বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সাভারে ছাত্রদলের ইফতার বিতরণপথচারীদের মাঝে রমজানের মাহাত্ম্য ছড়িয়ে দিল ছাত্রদল

0

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের অধীনস্থ সাভার থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। সাভার সদর ইউনিয়নের চাপাইন এলাকায় এ মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন সিকদার।

ইফতার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সাভার থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, সাভার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ফয়সাল সহ স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা রমজানের সমাজসেবামূলক চেতনাকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সুজন সিকদার বলেন,”ছাত্রদল সর্বদাই মানুষের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই পবিত্র মাসে অসহায় ও পথচারীদের মুখে হাসি ফোটানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদলের সামাজিক সচেতনতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সাভার কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটি সাবেক এমপি’র সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়

0

স্টাফ রিপোর্টার: সাভার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তারা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তার দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি ইমরান ইমু ও সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তারা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং আগামীর আন্দোলন-সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

সাক্ষাৎকালে ডা. সালাউদ্দিন বাবু নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও দলের স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় থাকার আহ্বান জানান। তিনি ছাত্রদলকে আগামী দিনের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেন।

সাভার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইমু সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল

0

স্টাফ রিপোর্টার:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা জেলা উত্তর শাখার অধীন সাভার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে ইমু ইমরান সভাপতি এবং আহমেদ ফয়সাল সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া, রায়হান মাহবুবকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে ৪৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ জানান, এই কমিটি আগামী দিনে ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দলের আদর্শ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ছাত্রদলের একাধিক নেতার মতে, এ কমিটিতে বিগত সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসিকতার পরিচয় দেওয়া নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যারা রাজপথে থেকে দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন, মামলার মুখোমুখি হয়েছেন এবং দলের সংকটময় সময়ে নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির নেতারা বলেন, “আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাব। শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকব।”

অন্যদিকে, একই দিনে সাভার মডেল কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সাভার পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

0

স্টাফ রিপোর্টার: সাভার পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এই ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল হক সৌরভ, সাভার কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী আহমেদ ফয়সালসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

সাভার পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করা হয় এবং ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য মোনাজাত করা হয়।

এ সময় নেতারা দলের ঐক্য ও ভবিষ্যৎ আন্দোলন-সংগ্রাম নিয়ে আলোচনা করেন এবং ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

সাভার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

0

স্টাফ রিপোর্টার:ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সংগ্রামী সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের নির্দেশে সাভার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে সাধারণ মানুষ ও পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক জনাব তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এ আয়োজন করা হয়। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গেন্ডা এলাকায় এ ইফতার বিতরণ আয়োজন করেন সাভার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী আহমেদ ফয়সল।

এই মহতী উদ্যোগে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আহমেদ ফয়সাল জানান, রমজানের শিক্ষাকে ধারণ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।